বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এ বি এম আশফাক-উল হক এই জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন:
১. মো. সোহেল ওরফে জুয়েল
২. মো. শাহিন হাওলাদার
৩. মো. সুমন ওরফে আল-আমিন
৪. মো. কবির
৫. মো. ফেরদৌস ওরফে বারেক ওরফে ভাতিজা
রায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডও করা হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় শাহিন ও ফেরদৌস আদালতে উপস্থিত থাকলেও সোহেল, সুমন ও কবির পলাতক রয়েছেন। আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২০ সালের ২৭ জুন দুপুরে মুকুল হোসেন অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। পরদিন ২৮ জুন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কোনাখোলা তুরাগ বাড়ি এলাকায় রাস্তার পাশ থেকে তার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের ভাই আবু হানিফ বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
আদালত তার পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করেন, অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩৯৬/৩৪ ধারায় অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে।
অন্যদিকে, মামলার অপর পাঁচ আসামি মো. অলি আহমেদ, মো. শাহ জাহান মুন্সি, মো. কবির, মো. হাসান হাওলাদার এবং জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাদের বেকসুর খালাস দিয়েছেন।
আদালত মামলায় জব্দকৃত প্রাইভেটকার ও ট্যাক্সিক্যাব প্রকৃত মালিকদের জিম্মায় দেওয়ার এবং অন্য সব আলামত ধ্বংস করার নির্দেশ দিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মোর্শেদ আলম টাইমনউইজকে রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এমএম