বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে রাণীশংকৈল উপজেলার ধর্মগড় ইউনিয়নের ভরনিয়া আনসারডাঙ্গী গ্রাম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা বাড়ির পাশের একটি ভুট্টাখেতে লামিয়ার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহ থানায় নিয়ে যায়। নিহত লামিয়া ওই এলাকার শফিকুল রহমানের মেয়ে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুর থেকে হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যায় শিশুটি। সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত হলেও মেয়ের কোনো খোঁজ না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন স্বজনরা। গ্রামের বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করা হয়, মাইকিংও করা হয়। কিন্তু কোথাও মিলেনি ছোট্ট লামিয়ার সন্ধান। অবশেষে বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ির পাশের ভুট্টাখেতে তার নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন স্বজনরা।
এ ঘটনায় সন্দেহজনকভাবে মোরসালিন (১৫) নামে এক কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ।
শিশু লামিয়ার বাবা বলেন, গতকাল (বুধবার) দুপুর থেকে আমার মেয়েকে খুঁজে পাচ্ছিলাম না। গ্রামের বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করেছি, মাইকিংও করেছি। সারারাত শুধু মেয়েটার অপেক্ষায় ছিলাম। সকালে শুনি বাড়ির পাশের ভুট্টাখেতে আমার মেয়ের মরদেহ পড়ে আছে। আমি আমার মেয়ে হত্যার বিচার চাই।
রাণীশংকৈল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমানুল্লাহ আল বারী বলেন, শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে এক কিশোরকে আটক করেছি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এস