সাদেকুল ইসলাম জানান, তিনি বর্গা নিয়ে ওই জমিতে ধান চাষ করেছিলেন। বীজ, সার, শ্রমিক ও পরিচর্যায় ইতোমধ্যে বেশ কিছু টাকা খরচ হয়েছে। ধান পাকার পর ফসল ঘরে তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তিনি। এর মধ্যেই হঠাৎ জমির ধান শুকিয়ে নষ্ট হয়ে যায়।
কৃষকের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে জমিতে ছত্রাকনাশক জাতীয় কোনো রাসায়নিক স্প্রে করার কারণে ধানের গাছ নষ্ট হয়েছে। এতে তিনি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
সাদেকুল ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের দাবি, পূর্ববিরোধের জেরে মিজান নামের এক ব্যক্তি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন। এর আগে তাঁদের হুমকি দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে তাঁরা অভিযোগ করেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মিজান। তিনি বলেন, ওই ধানখেতে তিনি কোনো ধরনের ছত্রাকনাশক স্প্রে করেননি। ধান নষ্টের ঘটনায় তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
এ ঘটনায় সাদেকুল ইসলাম চারজনের নাম উল্লেখ করে থানায় এজাহার দিয়েছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে ধান নষ্টের প্রকৃত কারণ এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা নির্ধারণ করা হবে বলে জানা গেছে।
ফসল কাটার ঠিক আগে ধান নষ্ট হয়ে যাওয়ায় পরিবারটি আর্থিকভাবে বিপাকে পড়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষক সাদেকুল ইসলাম।
এস










