গতকাল মঙ্গলবার (৫ মে) দিবাগত রাত ১টার দিকে উপজেলার ভবানীপুর সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পার্থো রাংসা ওই গ্রামের লিপসন নকরেকের ছেলে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে ভারত সীমান্তের পাহাড় থেকে বন্যহাতির দল নেমে আসে ভবানীপুর এলাকায়। ১৫-২০টি হাতি পাকা ধানক্ষেতে নেমে ধানের ক্ষতি করতে চাইলে স্থানীয় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর লোকজন হাতির দলকে তাড়িয়ে দেয়। তখন হাতিগুলো টিলায় উঠে আশপাশে অবস্থান নেয়। গতকাল রাতে হাতির দল ধানক্ষেতে নামে। ফসল রক্ষা করতে পার্থো রাংসা টর্চ লাইট ও মশাল জ্বালিয়ে হাতির দলকে তাড়িয়ে দিতে চেষ্টা করে। পরে রাতে কৃষকরা বাড়ি ফেরার পথে হাতির দল তাদেরকে ধাওয়া করে। একটি হাতি পার্থো রাংসাকে পায়ে পিষ্ট করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয়রা আরও জানান, সীমান্তবর্তী এলাকায় প্রায়ই বন্যহাতির উপদ্রব দেখা যায়। বিশেষ করে ধান কাটার মৌসুমে হাতির দল লোকালয়ে প্রবেশ করে।মাসখানেক ধরে হাতির উপদ্রব বেড়েছে। হাতির এই দলটি কিছু দিন পর পর বিজয়পুর এবং ভবানীপুর এলাকায় সোমেশ্বরী নদী পার হয়ে চলাচল করে।
বন বিভাগের দুর্গাপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা মজনু প্রামানিক বলেন, ঘটনাটি আমাদের নজরে এসেছে। আমরা ইতোমধ্যে খোঁজখবর নিয়েছি। মূলত প্রতিবছর এই সময় ভারতের গহীন জঙ্গল থেকে বন্যহাতির দল সীমান্ত এলাকা দিয়ে বাংলাদেশের ভেতরে প্রবেশ করে। নিহতের পরিবারকে বন বিভাগের পক্ষ থেকে সহায়তা দেওয়ার জন্য কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
দুর্গাপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
এস