সোমবার (১১ মে) শরীয়তপুরের পদ্মা সেতু-এর জাজিরা প্রান্তে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও পদ্মা সেতু জাদুঘরের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, “বিগত সময়ে মেগা প্রকল্পের আড়ালে প্রায় ৩০ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে। একইসঙ্গে ২০ লাখ কোটি টাকারও বেশি বৈদেশিক ঋণের বোঝা রেখে যাওয়া হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারকে সেই কঠিন অর্থনৈতিক বাস্তবতার মধ্য দিয়েই রাষ্ট্র পরিচালনা করতে হচ্ছে।
শেখ রবিউল আলম অভিযোগ করেন, দেশের ১৬টি বড় মেগা প্রকল্পে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় হলেও অনেক প্রকল্পে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। কোথাও ঠিকাদার কাজ ফেলে চলে গেছে, আবার কোথাও প্রকল্পই শুরু করা যায়নি। এতে রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয়ের পাশাপাশি উন্নয়ন কার্যক্রমও ব্যাহত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ ১৮ বছরের দুর্নীতি, অনিয়ম ও অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ার কারণে আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাগুলোও এখন বাংলাদেশে বড় প্রকল্পে অর্থায়নের বিষয়ে অনীহা দেখাচ্ছে। ফলে নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।
পদ্মা সেতু প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি শুধু একটি অবকাঠামো নয়; বরং দেশের অর্থনীতি, যোগাযোগ ও দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের স্বপ্নের প্রতীক। নতুন প্রজন্মের কাছে পদ্মা সেতুর ইতিহাস, উন্নয়ন ও পর্যটন সম্ভাবনা তুলে ধরতেই পদ্মা সেতু জাদুঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সেতু বিভাগের নির্বাহী পরিচালক ও সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ আসলাম, জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগমসহ সেতু বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এস