মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক পোস্টে বহিষ্কারের বিষয়টি উল্লেখ করে প্রতিক্রিয়া জানান মারুফ। সেখানে তিনি দাবি করেন, ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরোধিতা এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নিয়ে পোস্ট দেওয়ার কারণে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
ফেসবুক পোস্টে মারুফ লেখেন, চাঁদাবাজি, অনৈতিক কর্মকাণ্ড কিংবা মাদকাসক্তির কারণে নয়, বরং ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরোধিতা করায় তাঁকে সাংগঠনিক পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
নিজের সাংগঠনিক ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি আরও দাবি করেন, কলেজে ছাত্রদলের কার্যক্রম পরিচালনায় তিনি সক্রিয় ছিলেন। শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যায় দলীয় পরিচয়ের বাইরে গিয়েও পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছেন। এ ছাড়া রাজনীতি করে অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন করেননি বলেও পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি।
বহিষ্কারের পেছনে সংশ্লিষ্ট নেতাদের সঙ্গে রাজনীতি না করা, অন্যায়ের প্রতিবাদ করা এবং তোষামোদে আগ্রহী না হওয়ার মতো কারণ রয়েছে বলেও দাবি করেন মারুফ। একই পোস্টে তিনি নোয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সমালোচনা করেন।
অন্যদিকে, নোয়াখালী জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মো. মহসিন রিয়াজের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে মারুফকে তাঁর পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এন বি এস রাসেল ও সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান রাহান বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন।
তবে মারুফের উত্থাপিত অভিযোগ এবং বহিষ্কারের কারণ নিয়ে জেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এনএইচ
















