বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহর আদালত এ আদেশ দেন।

এর আগে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার রবিউলকে দুই দফা রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে অফিসিয়াল সিক্রেট অ্যাক্ট আইনে মামলা করে গোয়েন্দা পুলিশ। এরপর তাকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে ডিবি পুলিশ।

এ সময় রিমান্ডের বিরোধিতা করে জামিন আবেদন জানান আসামিপক্ষ। তবে রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে রাষ্ট্রপক্ষ বলেন, গ্রেপ্তার ভারতীয় নাগরিক ‘র’-এর এজেন্ট। সে দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য পাচার করছে। রিমান্ডে সে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানিয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে তাকে পুলিশ রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। শুনানি শেষে রিমান্ডে নেওয়ার ওই আদেশ দেন আদালত।

মামলায় অভিযোগ, রবিউল ইসলাম ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার মাটিয়া থানার গৌড়িভোজ গ্রামের বাসিন্দা শহীদুল ইসলামের ছেলে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উত্তরা পশ্চিম থানার ১১ নম্বর সেক্টরের ১৩ নম্বর রোডের ৬০ নম্বর বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়।

গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, রবিউল গত ১৪ সেপ্টেম্বর ভারত থেকে বাংলাদেশে আসে। এরপর তার গতিবিধি সন্দেহজনক ছিল। নিজেকে ভারতীয় নাগরিক দাবি করে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি পাসপোর্ট দেখালেও পরবর্তীতে তার কাছে থাকা ভারতীয় পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও এনআইডি পরীক্ষা করা হয়। এতে ড্রাইভিং লাইসেন্স ও এনআইডিতে থাকা জন্মতারিখের সঙ্গে পাসপোর্টের জন্মতারিখের কোনো মিল পাওয়া যায়নি।

রবিউল এর আগেও একাধিকবার বাংলাদেশে আসা-যাওয়া করলেও এর কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ দেখাতে পারেননি। একেক সময় একেক ধরনের তথ্য দিয়ে তিনি তদন্তে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়। রবিউল বাংলাদেশে কোনো ধর্তব্য অপরাধ বা সাম্প্রতিক সময়ে দেশজুড়ে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন বলে প্রবলভাবে সন্দেহ করা হয়।

এমএম