পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (১৩ মে) বিকেল ৩টায় চেল্লাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ১৬০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। তবে এখন পর্যন্ত জেলার সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
জানা গেছে, টানা বর্ষণের পাশাপাশি ভারতের মেঘালয় ও আসাম অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে উজান থেকে ব্যাপক পাহাড়ি ঢল নেমে আসছে। এতে শেরপুরের বিভিন্ন নদ-নদীর পানির স্তর দ্রুত বাড়ছে।
শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী সুদীপ্ত কুমার ধর জানান, চেল্লাখালী নদীর পানি বর্তমানে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তিনি বলেন, অন্যান্য নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচে রয়েছে এবং সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ চলছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, নকুগাঁও পয়েন্টে ভোগাই নদীর পানি বিপৎসীমার ৩৫৩ সেন্টিমিটার নিচে এবং নালিতাবাড়ী পয়েন্টে ৪১৫ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে। এছাড়া পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি বিপৎসীমার ৮২৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
অন্যদিকে মহারশি ও সোমেশ্বরী নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
তাদের মতে, উজানে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে নদ-নদীর পানির স্তর আরও বাড়তে পারে। তবে এখন পর্যন্ত জেলার কোথাও বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি।
এস