পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে মাটিয়াডাঙ্গা গ্রামের ওমর মুন্সি ও আজমল মুন্সীর পক্ষ এবং হিরাঙ্গির মোল্যা ও শহিদুল মেম্বার পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। সোমবার রাতে চোর সন্দেহে তুহিন নামের একজনকে আটক নিয়ে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। মঙ্গলবার সকালে উভয়পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৬ জন আহত হন। তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে গুরুতর আহত মিরচাঁদ সরদার, আজগর সরদার ও সালাম মুন্সিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করেন। ঢাকায় নেওয়ার পথে মিরচাঁদ সরদার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মারা যান।

এ ঘটনায় হামলা পাল্টা হামলায় বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে কোনো ভূমিকাই নিতে দেখা যায়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুর রহমান পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে থাকার দাবি করেছেন।

এমএম