বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মাহবুব আহমদ,সাবেক যুগ্মাআহ্বায়ক ইমন আহমদ এবং যুবদল নেতা রাজন আহমদ এবং কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মিয়া মোহাম্মদ সাদ এর নেতৃত্বে অনুষ্ঠানস্থলে এই হামলা চালানো হয়।
অনুষ্ঠান চলাকালীন গোবিন্দগঞ্জ কলেজ ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা সাধারণ শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়ার সময় এই হামলা চালায় ছাত্রদল।
এতে কলেজে ছাত্রশিবিরের সভাপতি জুনেদ আহমদ, সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান কে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে।
এসময় বিষয়টি মিমাংসা করতে স্থানীয় বাসিন্দা ছাত্রশিবিরের থানা সেক্রেটারি নাইম আহমদ, সাবেক কলেজ সভাপতি আব্দুল আজিজ সমাধানের চেষ্টা করলে তাদেরকে ও কলেজ ক্যাম্পাসে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে ছাত্রদল।
মূলত সুযোগ বুঝে এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে দেশীয় অস্ত্র, দ্যা,ছুলফি,রড,ছুরিসহ নানা অস্ত্র কলেজ ক্যাম্পাসে মজুদ রাখে তারা।
একটা কলেজ ক্যাম্পাসে নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠানে ছাত্রশিবির কর্তৃক শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেওয়া, উপহার দেওয়াসহ শিক্ষামূলক কর্মসূচীতে ছাত্রদলের এমন সন্ত্রাসী কার্যক্রম অত্যান্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়।
নবীন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানান, ফুল দিয়ে বরণ, উপহার প্রদান এবং শিক্ষামূলক কার্যক্রমের মতো একটি শান্তিপূর্ণ আয়োজনকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের হামলা, অস্ত্রের ব্যবহার কিংবা শিক্ষার্থীদের ওপর সহিংসতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাস শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার স্থান। সেখানে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য হামলা, মারামারি কিংবা অস্ত্রের মহড়া শিক্ষার পরিবেশকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করে।
প্রশাসন জানায়,আমরা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের পরিচয় ও দায়-দায়িত্ব নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই। একই সঙ্গে গোবিন্দগঞ্জ আব্দুল হক স্মৃতি কলেজে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ক্যাম্পাসে অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ করা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলে শিক্ষার্থীরা তা কঠোরভাবে প্রতিহত করবে।
এস





