সোমবার (১১ মে) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে মাজহারুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

ঘটনাটি ঘটেছে গত শনিবার (০৯ মে) সকালে। কাপাসিয়ার রাউৎকোনা গ্রামের একটি বহুতল ভবন থেকে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহতরা হলেন— শারমিন খানম (৩০), মীম খানম (১৫), উম্মে হাবিবা (৮), ফারিয়া (দেড় বছর) এবং রসুল মোল্লা (২৩)।

তারা গোপালগঞ্জ সদর এলাকার বাসিন্দা এবং স্থানীয় একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন বলে জানা গেছে।

ফরেনসিক চিকিৎসক জানান, শারমিন, তার ভাই রসুল এবং দুই শিশু মীম ও হাবিবাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়। আর শিশু ফারিয়াকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, হত্যার আগে তাদের কোনো চেতনানাশক বা নেশাজাতীয় পদার্থ খাওয়ানো হয়েছিল কি না, তা নিশ্চিত হতে নমুনা সংগ্রহ করে সিআইডির ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে বিষয়টি স্পষ্ট হবে।

এ ঘটনায় নিহত শারমিনের বাবা বাদী হয়ে স্বামী ফোরকান মোল্লাকে প্রধান আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন। অভিযুক্ত ফোরকান মোল্লা পলাতক রয়েছেন।

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এবং সিআইডিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক ইউনিট তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাকে আটক করা গেলে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও রহস্য আরও পরিষ্কার হবে।

এস