ঢাকা (মিরপুর)- ১৪ আসনের সংসদ সদস্য আসলামুল হকের অবৈধ সম্পদ এবং দুর্নীতির অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে তাকে হোয়াইট ওয়াশ করেছে দুদক।
দুদকের উপ-পরিচালক শেখ মেসবাহ উদ্দিনের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে আসলামুল হকের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের অভিযোগ আমলে না নিয়ে নথিভুক্ত করার সুপারিশ রাখা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার উপ-পরিচালক শেখ মেসবাহ উদ্দিন দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) এ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন জমা দেন।
অভিযোগ রয়েছে,সরকার দলীয় এমপি আসলামুল হকের ২০০৮ ও ২০১৩ সালের হলফনামায় ঘোষিত গত ৫ বছরে তার ও স্ত্রীর সম্পদ অনেক বেড়েছে।
৫ বছরে আসলামুল হকের নিজের সম্পদ বৃদ্ধির পাশাপাশি বেড়েছে শিক্ষাগত যোগ্যতাও। ২০০৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি ছিলেন অষ্টম শ্রেণী পাস। আর ২০১৩ সালে ৫ বছর তিনি বিবিএ (স্নাতক ব্যবসায় প্রশাসন) অধ্যয়নরত বলে হলফনামায় উল্লেখ করেন।
আরও জানা যায়, হলফনামা অনুসারে গত ৫ বছরে আসলামুল হক এমপির জমির পরিমাণ বেড়েছে ৩৪ গুণের বেশি। ২০০৮ সালের হলফনামার তথ্য অনুযায়ী তিনি ও স্ত্রী মাকসুদা হক ৪একর ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ জমির মালিক ছিলেন। ওই জমির মূল্য ছিল ২০ লাখ ৬৯ হাজার ৫০০ টাকা।
দশম সংসদ নির্বাচনে পেশ করা হলফনামায় তিনি ও তার স্ত্রীর জমির পরিমাণ উল্লেখ করেন ১৪৫ দশমিক ৬৭ একর এবং মূল্য উল্লেখ করেন ১ কোটি ৯২ লাখ ৯৯ হাজার ৫০০ টাকা।
সম্পদের তথ্য গোপন , মিথ্যা তথ্য প্রদান এবং জ্ঞাত আয় বহির্ভূত বিপুল পরমান অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। আর অভিযোগের বিষয়টি অনুসন্ধান করেন দুদকের উপ পরিচালক শেখ মেজবাহ উদ্দিন। কিন্তু দীর্ঘ অনুসন্ধান শেষে তিনি এমন একটি প্রতিবেদন জমা দেন,যা রীতিমতো হাস্যকর এবং নানা প্রশ্নের উদ্বেগ হচ্ছে জনমনে।
ঢাকা,একে, ৪ সেপ্টম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, জেএ





