চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি আজ বৃহস্পতিবার। এই জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে প্রধান বিচারপতির এজলাসে বসানো হয়েছে আটটি ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা। জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
আজ প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের ছয় বিচারপতির বেঞ্চে খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের উপর শুনানি হবে। আপিল বিভাগের দৈনন্দিন কার্যতালিকার ১২ নম্বর ক্রমিকে জামিন আবেদনটি শুনানির জন্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
খালেদা জিয়ার আইনজীবী জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘আমরা ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করি। আমরা বিশ্বাস করি, ন্যায়বিচার হলে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া জামিন পাবেন।’
এর আগে গত ৫ ডিসেম্বর স্বাস্থ্য প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি রাষ্ট্রপক্ষ। আরো কিছু স্বাস্থ্যগত পরীক্ষা বাকি আছে জানিয়ে আদালতের কাছে সময় আবেদন করে।
পরে আদালত আগামীকালকের (১২ ডিসেম্বর) মধ্যে অবশ্যই স্বাস্থ্য প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। ওই দিনই খালেদা জিয়ার জামিনের আপিল শুনানি করা হবে বলে আপিল বিভাগ আদেশ দেন। এরপর নজীরবিহীন হট্টগোল শুরু হয় আদালতে। ওইদিন প্রধান বিচারপতির নেত্বত্বে বেঞ্চে আর কোনো মামলা শুনানি করতে পারেননি। খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা আদালতে প্রতিবাদ জানিয়ে মিছিল, এজলাস কক্ষে অবস্থান করে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।
খালেদা জিয়ার পক্ষে জামিনের শুনানি করেন অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। এ সময় অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, মীর হেলাল উদ্দিন, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা ও মমতাজ উদ্দিন ফকির, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিত দেবনাথ।
এমএম





