বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় বর্তমানে সুপ্রীম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জয়নাল আবদীন, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উদ্দিন খোকন’সহ ৩৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারীর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ বুধবার ঢাকার মহানগর সিনিয়র বিশেষ ট্রাইব্যুনাল জজ আদালতের বিচারক মো. কামরুল হোসেন মোল্লা চার্জশীটটি গ্রহণ করে উল্লেখিত আসামিদের বিরুদ্ধে এ নির্দেশ দেন।
তবে এই দিন এ মামলার অপর আসামি জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শওতক মাহমুদ আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন। অন্যদিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার অসুস্থ থাকায় আইনজীবী হাতেমুল আলম সময় চেয়ে আবেদন করেন।
২০১৫ সালের ঘটনায় এ মামলা দায়ের করার পর মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা দেবী কান্ত বর্মন ৫১ জন আসামির বিরুদ্ধে ২০১৭ সালে ২৭ এপ্রিল আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন। মামলাটি বিচার ও নিষ্পত্তির জন্য সি.এম.এম আদালত থেকে ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলী করা হয়। অতঃপর আদালত গতকাল চার্জশীটটি গ্রহণ করে এবং অ্যাডভোকেট জয়নাল আবদীনসহ ৩৯ জন পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারীর নির্দেশ দেন।
যাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করা হয়েছে তারা হলেন- জয়নাল আবদীন, মাহবুব উদ্দিন খোকন, শিমুল বিশ্বাস, মারুফ কামাল খান সোহেল, সাইফুল ইসলাম নিরব, শিরিন সুলতানা, সৈয়দা আফিয়া আশরাফি পাপিয়া, আজিজুল বারী হেলাল, শরাফত আলী সপু, ইসহাক সরকার, লতিফ কমিশনার’সহ ৩৯ জন। এ মামলায় বর্তমানে বরকত উল্লাহ বুলু ও মনির হোসেন জেলে আটক আছে।
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালে ২ মার্চ তারিখে পল্টন এলাকায় ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা সমাবেশকে কেন্দ্র করে মিছিল করলে পুলিশ এতে বাধা দেয়। এ সময় মিছিলকারীরা সিএনজিচালিত অটোরিকশার এক ড্রাইভারকে হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করে এবং পেট্রোল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।
এতে ব্যাপক ভাংচুর, গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে এ ঘটনায় বাবুল নামক এক ব্যক্তিকে পুলিশ হাতেনাতে ধরে ফেলে। এ ঘটনায় এসআই জিয়াউল হক বাদী হয়ে পল্টন থানায় মামলা দায়ের করেন।
এমবি





