ভুয়া ২ দুদক কর্মকর্তার ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন ঢাকা সিএমএম আদালত।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা সিএমএম আদালতে দুদকের ২ ভুয়া কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল রশিদ ও কাওসার আহমেদকে হাজির করা হয়। আদালতে দুদকের আইনজীবী ওই ২ আসামির বিরুদ্ধে ৫ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানান। আদালত শুনানি শেষে ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলার বাদী দুদকের সহকারী পরিচালক (সিনিয়র এএসপি) এস এম রকিকুল ইসলাম জানান, আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি (রোববার) থেকে এ ২ আসামিকে দুদক কার্যালয়ে এনে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করবেন। বর্তমানে ২ আসামি রমনা মডেল থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।
তিনি জানান, গত ৪ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৮ টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দুদকের সহকারী পরিচালক এস এম রকিকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন একটি টিম ৭৬৩ পশ্চিম নাখালপাড়া বাসা থেকে ওইভুয়া ২ দুদক কর্মকর্তাকে চাঁদাবাজি এবং প্রতারণার অভিযোগে আটক করা হয়।
দুদক কর্মকর্তা এস এম রকিকুল ইসলাম বাদী হয়ে ওই দিন বিকেলে ২ প্রতারকের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় দন্ডবিধি ৪০৯/ ৪২০/ ৪৬৮/ ৪৬৮/ ৪৭১ ও ৩৪ ধারায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-৬।
তিনি জানান, আটক প্রতারকরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অপরাধের কথা স্বীকার করেছে। ফলে তাদের কাছ থেকে আরো তথ্য উপাত্ত পাবার জন্য আদালতে রিমান্ডের আবেদন জানানো হয়। আদালত তাদের আবেদন গ্রহণ করেন।
কারণ গ্রেফতার কৃতদের কাছ থেকে দুদকের দুদকের মনোগ্রাম যুক্ত সীলমোহর, প্যাড এবং ২টি মোবাইল ফোনের সীম উদ্ধার করা হয়েছে। ওই সীম ২টি মোবাইলে ব্যবহার করে সরকারিম আধাসরকারি এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে মোটা অংকের চাঁদা আদায় করত।
এ প্রতারকরা নিজেদেরকে দুদকের উপ পরিচালক মো. জাহিদুল হক পরিচয় দিত। কখনো অনুসন্ধানী নোটিশ পাঠানো হচ্ছে, আবার কখনো মামলা দায়েরর সিদ্ধান্ত হচ্ছে। যদি তাদের কথা মতো বিকাশে ২০ হাজার টাকা পাঠায় তবে প্রাপ্ত অভিযোগ থেকে অব্যাহতির চেষ্টা করা হবে।
তাদের বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ রয়েছে,তারা দুদক কর্মকর্তার পরিচয়ে গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে বিআরটিএ মৌলবীবাজার সার্কেলের সহকারি পরিচালক (ইঞ্জিন শাখা) মো. এনায়েত হোসেন মন্টুর কাছে মোবাইলে ২০ হাজার টাকা দাবী ওই প্রতারক চক্র।
এবিষয়টি দুদকের প্রধান কার্যালকে লিখিতভাবে অবহিত করেন বিআরটি’র ওই কর্মকর্তা। পরে দুদক দীর্ঘ অনুসন্ধান চালিয় এ ২ প্রতারককে গ্রেফতার করা হয়। এ ধরনের আরো অনেক অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
একে
-





