গ্রামীণ ব্যাংকের নির্বাচিত নয়জন পরিচালকের পদ শূন্য ঘোষণা করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দেওয়া চিঠি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বুধবার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি কাজী মো.ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ ‍রুল জারি করেন।

১০ দিনের মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান। সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার তামিম হাসান শাওন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আমাতুল করিম।

গত ৭ ফেব্রুয়ারি মেয়াদ শেষ হওয়ায় ৩০ মার্চ অর্থ মন্ত্রণালয় গ্রামীণ ব্যাংকের ৯ নির্বাচিত পরিচালকের পদ শূন্য উল্লেখ করে একটি চিঠি দেয়। এ চিঠির বৈধতা চ্যালঞ্জ করে গত ৬ এপ্রিল রিট করেন পরিচালক তাহসিনা খাতুন।

আইনজীবী তামিম হাসান বলেন, গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালক নির্বাচন বিধিমালা (২০১৪) মতে, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পূর্ব পযন্ত নির্বাচিত পরিচালকরা দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। কিন্তু এখন পযন্ত নির্বাচনের জন্য কমিশনও গঠন করা হয়নি। তাই তাদের পদ শূন্য করে চিঠি দেওয়া অবৈধ।

গ্রামীণ ব্যাংকের তিন বছর মেয়াদি ১২ সদস্যের পরিচালনা পর্ষদের মধ্যে ঋণগ্রহীতা সাধারণ সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত ৯ জন পরিচালক রয়েছেন। তারা হলেন, ময়মনসিংহের তাহসিনা খাতুন, চট্টগ্রামের সাজেদা বেগম, সিলেটের মোসাম্মৎ সুলতানা বেগম, কুমিল্লার রেহানা আক্তার, গাজীপুরের সালেহা খাতুন, দিনাজপুরের পারুল বেগম, বগুড়ার মেরিনা আক্তার, পটুয়াখালীর মোমেনা খাতুন ও যশোরের শাহিদা আক্তার।

এছাড়া বাকি তিনজনকে সরকার নিয়োগ দেন। যাদের মধ্যে একজন চেয়ারম্যান হয়ে থাকেন।

এএইচ