সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শাহজাহান মিয়ার এপিএস সৌমেন্দ্র লাল চন্দের (শৈলেন) বিরুদ্ধে প্রায় সোয়া কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সোমবার বিকালে রাজধানীর রমনা থানায় দুদকের উপ-পরিচালক কে এম মিছবাহ উদ্দিন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলা নং-৪, দুদক আইন ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারয় মামলাটি থানায় রেকর্ড করা হয়।
এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের উপ-পরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচায্য।
এর আগে আজ (সোমবার) সকালে দুদকের নিয়মিত বৈঠকে এই মামলা দায়ের করার অনুমোদন দেয়া হয়।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৩ সালের নভেম্বর পর্যন্ত ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর এপিএস থাকাকালে শৈলেন অবৈধভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ১ কোটি ১১ লাখ ৮৫ হাজার ৬৩৯ টাকার সম্পদ অর্জন করেন। তিনি এই অর্থ ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জন করেছেন। দুদকের অনুসন্ধানে তার এই অবৈধ সম্পদের প্রমাণ মিলছে।
এজাহার সূত্রে আরও জানা যায়, শৈলেন বছরে ১ লাখ ৩২ হাজার টাকার বেতন ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধাসহ সব মিলিয়ে ২ লাখ ৩৯ হাজার ৩২০ টাকা আয় করেছেন। গত ৪ বছর ১১ মাসে তার মোট আয় ১১ লাখ ৭৬ হাজার ৬৫৩ টাকা হবার কথা। তার আয়কর বিবরণী অনুসারে ওই ৪ বছরে তার ব্যয় হয়েছে ৫ লাখ ১৬ হাজার ২৫০ টাকা। আয়কর বিবরণীতে তার আয়ের অন্য কোনো উৎস নাই । সে হিসেবে তার মোট সঞ্চয় হওয়ার কথা ৬ লাখ ৬০ হাজার ৪০৩ টাকা।
অথচ দুদকের অনুসন্ধানে গত ৪ বছর ১১ মাসে তার ১ কোটি ১৮ লাখ ৪৬ হাজার ৪২ টাকার সম্পদেও তথ্য পেয়েছে। তার আয়কর বিবরণী অনুসারে ২০১৩-১৪ কর বর্ষে ৩০ লাখ ৯০ হাজার ৬২১ টাকার নীট আয়, সোনালী ব্যাংকের বায়তুল মোকাররম শাখায় ৬৪ লাখ ১০ হাজার ২৯ টাকা, মার্কেন্টাইল ব্যাংকে জমাকৃত ১৩ লাখ ৪৬ হাজার ১৮৬ টাকা, প্রিমিয়ার ব্যাংকে জমাকৃত ৪ লাখ ১২ হাজার ৪৯৩ টাকা, নিজস্ব জিপ গাড়ি ও মেয়েকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিবাবদ ৫৩ হাজার ৫০০ টাকা।
অর্থাৎ তার বৈধভাবে আয় করা অর্থ বাদ দিলে তার অবৈধ অর্থ ও সম্পদের পরিমান ১ কোটি ১১ লাখ ৮৫ হাজার ৬৩৯ টাকা।
[b]ঢাকা, একে, ২ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম)// এসআর[/b]
সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর এপিএস শৈলেনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শাহজাহান মিয়ার এপিএস সৌমেন্দ্র লাল চন্দের (শৈলেন) বিরুদ্ধে প্রায় সোয়া কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সব ধর্মের নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিতে জাতীয় কমিটি গঠনের আহ্বান
সব ধর্মের মানুষের সমান নাগরিক অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে একটি জাতীয় কমিটি গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক বিভাজন সৃষ্টি করা কাম্য নয়
ধর্ম যার যার, দেশটা সবার এই চেতনাকে ধারণ করে আমাদের সবাইকে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হবে। ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক বিভাজন সৃষ্টি করা কোনোভাবেই কাম্য নয়।
সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী
সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার সময় সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষ একসঙ্গে লড়াই করেছেন। একইভাবে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে চান তিনি।
ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার : প্রধানমন্ত্রী
ধর্মীয় পরিচয় ভিন্ন হলেও রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ সবার এবং প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার ও কর্তব্য রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে মানুষ ধর্মীয় পরিচয়ের ভেদাভেদ না করে অংশ নিয়েছে। সবার প্রথম পরিচয় মানুষ ও বাংলাদেশি।
ধর্ম নয়, সবার নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব : প্রধানমন্ত্রী
ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়, বরং নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, একজন নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের যা প্রাপ্য, তা নিশ্চিত করা সরকারপ্রধান হিসেবে তাঁর দায়িত্ব।
















