তিনি বলেন, দেশে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতে সরকার বিশেষ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
এ লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য বিভাগ ও জেলা প্রশাসনকে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাজধানীতে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট রাতারাতি সমাধান করা সম্ভব নয়। তবে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সরকার নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। জনগণের জ্বালানি ব্যয়ের চাপ কমাতে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে ভর্তুকি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলা করে দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। একটি নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে নাগরিকদের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা। যেকোনো পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
জ্বালানি সরবরাহের ঘাটতি মোকাবিলায় আরও ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, চাহিদা বিবেচনায় নতুন টার্মিনাল স্থাপন করা হবে। এগুলো গ্যাস সরবরাহের ঘাটতি কমাতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের বিষয়ে তিনি বলেন, সরকার ইতোমধ্যে ভালুকায় ডোমেস্টিক রুফটপ সোলার কর্মসূচি চালু করেছে। এর মাধ্যমে ঘরে ঘরে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের আগ্রহ তৈরি হবে। স্থানীয় পর্যায়ে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য ইতোমধ্যে ৮ হাজার ৬০০ সার্ভিস প্রোভাইডার তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। সৌরবিদ্যুতের সম্প্রসারণের ফলে দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হচ্ছে।
সোলার প্যানেলের মান নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, দেশের বাজারে সৌরবিদ্যুৎ পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করতে সরকার সচেতন ও সক্রিয় রয়েছে। জনস্বার্থ রক্ষায় এ বিষয়ে বিশেষ নজরদারি থাকবে।
জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, উদ্ভূত সংকট ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে নাগরিক জীবন স্বাভাবিক ও স্বস্তিদায়ক রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছে। দেশের সার্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা বজায় রাখতে সরকার সর্বাত্মকভাবে কাজ করছে।
এনএইচ











