শুরু হয়েছে ২০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা। আজ ০১ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার মাসব্যাপী মেলার প্রথমদিন। মেলার প্রথমদিনেই চরম বিশৃংখলার অভিযোগ করেছেন মেলায় আসা দর্শনার্থী ও সংবাদকর্মীরা।

এদিকে অভিযোগের বিষয়ে সমাধান দিতে মেলার আয়োজক সংস্থা রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) কোনো কর্মকর্তাকে দেখা যায় নি।

ফুড স্টল-৩ এর কর্মচারী রুবেল হোসেন। তার পাস না থাকায় নিরাপত্তা কর্মীরা তাকে গেটে টেনে হিঁচড়ে লাঞ্ছিত করেন।

রুবেল জানান, মালিক আমাকে বলেছে ভেতর থেকে পাস দেওয়া হবে। এ কথা আমি নিরাপত্তা কর্মীদের বুঝিয়ে বললেও আমাকে অপমান করা হয়।

গেটে রুবেলের মতো বহু স্টলের কর্মচারীদের এভাবে লাঞ্ছিত করতে দেখা গেছে। তাদের অভিযোগ, আয়োজকরাই বলেছেন পাস মেলা সচিবালয় থেকে দেওয়া হবে।

অপরদিকে, মেলায় প্রবেশে সাংবাকিদের পাস লাগবে না বলে আগেই ঘোষণা দিয়েছেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) যুগ্মসচিব এএফএম মনজুর কাদির।

আইডি কার্ড (পরিচয়পত্র) দেখালে সাংবাদিকদের প্রবেশের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু পাস না থাকায় বেশ কয়েকজন সাংবাদিককে হয়রানি করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গতবছর বাণিজ্যমেলায় একইভাবে সাংবাদিকদের হয়রানির ঘটনায় পরে সাংবাদিকদের জন্য প্রবেশে বাধ্যবাধকতা তুলে নেয় কর্তৃপক্ষ।

মেলার মিডিয়া কক্ষ থেকে একটি অনলাইন মিড়িয়ার নিয়াজ মাহমুদ নামের এক সংবাদকর্মীর ল্যাপটপ চুরির ঘটনাও ঘটেছে।

এ বিষয়ে মেলা কর্তৃপক্ষকে জানানোর জন্য গেলেও কোনো কর্মকর্তাকে দেখা যায় নি বলে অভিযোগ করেন নিয়াজ।

তিনি বলেন, মিডিয়া সেন্টারে মিডিয়াকর্মীর চেয়ে অন্য লোকের আনা গোনা বেশি। মাত্র দুই মিনিটের ব্যবধানে আমার ল্যাপটপ, ব্যাগসহ নিয়ে গেছে। অভিযোগ করতে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায় নি।

৮০টি সিসি টিভি ক্যামেরার মাধ্যমে মেলার সার্বিক নিরাপত্তা মনিটর করার কথা থাকলেও মেলার ভেতরে কোনো ক্যামেরা দেখা যায় নি।

যদিও ইপিবির যুগ্ম সচিব, নিরাপত্তা ব্যবস্থা আগের চেয়ে জোরদার ও অভিযোগ সমাধানে ম্যাজিস্ট্রেট থাকার কথা থাকলেও কাউকে দেখা যায় নি।

এসব বিষয়ে মোবাইলে মেলা কমিটির সদস্য সচিব রেজাউল করিম জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি ৭টার দিকে এলে বিষয়গুলো দেখবো।

অব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা বিষয়ে তিনি বলেন, প্রথমদিন একটু বেগ পেতে হচ্ছে। সব ঠিক হয়ে যাবে।

এমকে