ফের ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটেছে কোরবানির পশুর চামড়ার দামে। সিন্ডিকেটের কারসাজি, ঘোষিত মূল্য বাস্তবায়নে মনিটরিংয়ের অভাব, শেষ মুহূর্তে রফতানি অনুমতির ঘোষণা এবং সমন্বয়হীনতার কারণেই সৃষ্টি হয়েছে এমন পরিস্থিতি। চামড়ার দাম অস্বাভাবিকভাবে কমিয়ে আগামী দিনের কয়েক হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য নিশ্চিত করেছে সেই পুরনো সিন্ডিকেট।

বিদ্যমান পরিস্থিতিতে রীতিমতো পানির দরে বিক্রি হয়েছে চামড়া। ন্যূনতম দাম না পেয়ে ক্ষোভে-দুঃখে অনেকে বিক্রি না করে ফেলেও দিয়েছেন। দায়ীদের শনাক্ত করে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। অন্যথায় এ বিপর্যয় থামানো কোনোভাবেই সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন তারা।

রাজধানীতে গরুর চামড়া আকার ভেদে প্রতিটি ১৫০ থেকে ৬০০ টাকা, ছাগলের চামড়া বিক্রি হয়েছে ২ থেকে ১০ টাকা। আর পোস্তার আড়ত মালিকরা ২০০ থেকে ৫০০ টাকায় এসব চামড়া ক্রয় করেছেন মৌসুমি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে। ঢাকার বাইরেও ছিল একই ধরনের চিত্র।

কিন্তু এমন পরিস্থিতি সৃষ্টির দায় নিচ্ছে না কেউ। সরকারের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চামড়া হচ্ছে বেসরকারি বাণিজ্য। এতে খুব বেশি হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। অপরদিকে ট্যানারি মালিকদের চিরাচরিত একই সুর, মৌসুমি ব্যবসায়ীরা না বুঝে ব্যবসা করছেন।

এদিকে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে মঙ্গলবার বিকালে বাণিজ্য সচিবের সভাপতিত্বে চামড়া ব্যবসায়ীদের নিয়ে বৈঠক হয়েছে। জুমের মাধ্যমে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠক শেষে তাৎক্ষণিভাবে সরকারের সংশ্লিষ্টরা নাম প্রকাশ করে কোনো মন্তব্য করতে চাননি। তবে বৈঠকের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সরকারি ঘোষিত মূল্য না মানলে ট্যানারি মালিকদের বিরুদ্ধে ভোক্তা আইনে ব্যবস্থা নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

এছাড়া ঢাকার বাইরের লবণমিশ্রিত ৩০ লাখ চামড়া রাজধানীর ট্যানারিতে সুষ্ঠুভাবে আনতে পরিবহন ব্যবস্থা করা হবে। আর আগামীতে লবণমিশ্রিত ছাড়া কোনো চামড়া পরিবহন করা যাবে না। এ ব্যাপারে যত দ্রুত সম্ভব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। কিন্তু বাজার বিপর্যয়ের জন্য দায়ী কে তা সুনির্দিষ্ট করা হয়নি বৈঠকে।

ওই বৈঠকের আগে বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন বলেন, কাঁচা চামড়ার বাজার পর্যবেক্ষণে বিগত সময়ের তুলনায় বেশি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। মাঠপর্যায়ে জেলা প্রশাসক, আমদানি-রফতানি নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের প্রতিনিধি ও টি-বোর্ডের প্রতিনিধি মনিটরিং কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন।

বিচ্ছিন্ন দু-একটি ঘটনা ছাড়া চামড়ার বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি- এমন দাবি করে তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামে ১২শ’ চামড়া ফেলে চলে গেছেন একজন বিক্রেতা। এটি এক ধরনের ‘স্যাবোটাজ’ হতে পারে। কারণ তিনি চামড়াগুলো টাকা দিয়ে ক্রয় করে ফেলে যাবেন কেন?

বিপর্যয়ের কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত করা হবে কিনা- জানতে চাইলে বাণিজ্য সচিব বলেন, ৫০ থেকে ৬০ লাখ পিস চামড়া কোরবানিতে সংগ্রহ হবে। এর মধ্যে এক বা দু’হাজার পিস নষ্ট বা ফেলে দিলে এটি খুব বেশি প্রভাব ফেলবে না। তবে এ বিষয়ে আগামীতে আরও ভালোভাবে পদক্ষেপ নেয়া হবে।

সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, বিপর্যয় ঠেকাতে এ বছরও কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করে দেয় সরকার। কিন্তু সেখানে কিছুট অস্পষ্টতা আছে। কোরবানির পর সরাসরি চামড়া বিক্রির দাম এবং পোস্তার পাইকারদের বিক্রির দাম কত হবে- তা সুনির্দিষ্ট করা নেই।

এ সুযোগে পোস্তার পাইকার এবং ট্যানারি মালিকদের নিজস্ব ক্রয় প্রতিনিধির তৎপরতায় বিগত কয়েক বছর ধরেই চামড়ার দামে অস্বাভাবিক মূল্যহ্রাস ঘটাচ্ছে। সিন্ডিকেটের ‘সবুজ সংকেত’ নিয়েই তারা ক্রেতাদের কাছ থেকে কম দামে চামড়া কিনে নেয়। এবার গরিব ও এতিমদের হক চামড়ার দাম নিয়ে বিগত সব রেকর্ড ভঙ্গ হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চামড়া খাতে একই সিন্ডিকেট কয়েক বছর ধরে কৌশলে কোরবানির চামড়ার বাজারকে বিপর্যয়ের মুখে ফেলে কম দামে চামড়া কেনাকাটা করে। এ চক্র আবার প্রকাশ্যে বিরোধিতা করছে বিদেশে ওয়েট-ব্লু ও কাঁচা চামড়া রফতানির।

সরকারের বিভিন্ন বৈঠকে ওই চক্রটি একদিকে বলছে চামড়ার মূল্য কমানোর কথা, অপরদিকে বলছে রফতানির অনুমতি দিলে এ খাত শেষ হয়ে যাবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এমন একটি আভাস পেয়েই তড়িঘড়ি করে ঈদের একদিন আগে বিদেশে চামড়া রফতানির অনুমতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে। কিন্তু অনেকে মনে করছেন, তড়িঘড়ি রফতানির ঘোষণা খুব বেশি কার্যকর হয়নি। আরও আগে এ ঘোষণা এলে সবাই প্রস্তুতির সময় পেত।

জানা গেছে, কোরবানি এলেই এ চক্র নানাভাবে সরকারকে চাপের মুখে রাখে। প্রথম শুরু করে চামড়ার মূল্য যাতে না বৃদ্ধি পায়। এমন চাপের মুখে ফেলে গত বছরের তুলনায় কোরবানির পশুর চামড়ার নির্ধারিত দামের থেকে এবার ২০ থেকে ৩০ শতাংশ কমিয়ে ধরা হয়েছে। অথচ সেই দামও দেয়া হয়নি মৌসুমি ব্যবসায়ীদের।

ঢাকায় লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট ৩৫ থেকে ৪০ টাকা ধরা হয়। আর ঢাকার বাইরে ধরা হয় প্রতি বর্গফুট ২৮ থেকে ৩২ টাকা। সারা দেশে খাসির চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয় প্রতি বর্গফুট ১৩ থেকে ১৫ টাকা।

সাধারণত একটি বড় আকারের গরুর চামড়া গড়ে ৩৫-৪০ বর্গফুট, মাঝারি আকারের গরুর চামড়া গড়ে ২৫-৩০ বর্গফুট এবং ছোট আকারের গরুর চামড়া গড়ে ১৫-২০ বর্গফুট হয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে সরকারের নির্ধারিত দাম অনুযায়ী বড় আকারের গরুর চামড়ার দাম পড়ার কথা ১২০০ থেকে ১৬০০ টাকা।

মাঝারি গরুর চামড়ার দাম ৮০০ থেকে ১১০০ টাকা। এবং ছোট আকারের গরুর চামড়ার দাম ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা হওয়ার কথা। অথচ সরকার নির্ধারিত দাম অনুযায়ী গরুর যে চামড়ার দাম হওয়ার কথা ৭০০ থেকে ১ হাজার টাকা, সেটা মৌসুমি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কেনা হয়েছে ২০০ থেকে ৪০০ টাকায়।

গাজীপুরের বাসিন্দা ইকবাল আহমেদ ঈদের দিন সন্ধ্যায় ঢাকার পোস্তায় প্রায় ১১০০ পিস কাঁচা গরুর চামড়া নিয়ে আসেন বিক্রির জন্য। তার ধারণা, এবারের চামড়ার সংগ্রহ অন্যান্য বছরগুলোর তুলনায় কম হবে। ভেবেছিলেন ভালো লাভ তুলতে পারবেন। কিন্তু পোস্তার চিত্র ওই আগের মতোই।

চামড়া কম আসায় দাম বেশি দেয়া তো দূরের কথা বরং গত বছরের চাইতেও এবার আরও কম দাম রাখা হচ্ছে। কিন্তু সরকারের বেঁধে দেয়া দামও কার্যকর হয়নি। এত কম দাম নির্ধারণ করে এভাবে চক্রটি তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, বড় আকারের গরুর চামড়া ৫০০-৬০০ টাকা এবং মাঝারি ৩০০-৪৫০ টাকা ধরে কোরবানিদাতাদের কাছে থেকে কিনে নিয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা জানান, সাধারণত ট্যানারি মালিকরা চামড়া ক্রয় করেন পাইকারদের মাধ্যমে। কিন্তু অনেক পাইকারের বকেয়া পরিশোধ করছেন না ট্যানারি মালিকরা।

তাদের পাওনা টাকা পরিশোধ না করায় এসব পাইকার চামড়া ক্রয়ে আগ্রহী হয়ে উঠছেন না। আড়তদারদের বকেয়ার বিষয়ে অধিকাংশ ট্যানারি মালিক বলেন, ২০১৭ সালে হাজারীবাগ থেকে সাভারের হেমায়েতপুরে ট্যানারি স্থানান্তরের পর থেকেই ট্যানারি মালিকরা আর্থিক সংকটে আছেন। সেজন্য আড়তদারদের পাওনা সময়মতো পরিশোধ করতে পারছেন না অনেকে।

পাওনা পরিশোধ না করলেও কোন অঞ্চলে কত চামড়া কোরবানিতে সংগ্রহ হয় এ তথ্য সংশ্লিষ্ট ট্যানারি মালিকদের কাছে রয়েছে। এসব পাইকারদের পাশ কাটিয়ে নিজস্ব লোক দিয়ে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এ চক্র চামড়া সংগ্রহ করছে। নিজস্ব লোকজনকে একটি নির্দিষ্ট দাম বেঁধে দিয়েছে। সেটিও সরকারে বেঁধে দেয়া মূল্য থেকে কম। ফলে গ্রাম-গঞ্জ থেকে এসব প্রতিনিধি কম দামে ট্যানারির পক্ষে চামড়া সংগ্রহ করেছে।

ফলে এসব ট্যানারির নিজস্ব প্রতিনিধির বাইরে অন্য মৌসুমি ব্যবসায়ীরা বেশি দাম দিয়ে চামড়া কেনার সাহস পাননি। কৌশলে সারা দেশে ট্যানারি মালিকরা নিজস্ব প্রতিনিধি দিয়ে চামড়া সংগ্রহ করেন নিজস্ব মূল্যে। ফলে মূল্য প্রতিযোগিতার কোনো সুযোগ সৃষ্টি হয়নি।

চামড়ার কম দামের কারণ জানতে চাইলে বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আফতাব খান বলেন, কাঁচা চামড়া যে দামে বিক্রি হচ্ছে তা ঠিকই আছে। কারণ প্রতি বর্গফুট চামড়া প্রক্রিয়াজাত করতে ৮ টাকা খরচ হয়। তা ছাড়া আড়তদাররা নগদ অর্থ সংকটে আছেন। বেশির ভাগ ট্যানারি মালিক আড়তদারদের বকেয়া পরিশোধ করেননি।

বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএ) সভাপতি শাহীন আহমেদ বলেন, মঙ্গলবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে জুমে বৈঠক হয়েছে। সেখানে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থাসহ বিভিন্ন এজেন্সির প্রতিনিধি এবং ট্যানারি মালিক ও পোস্তার ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, চটগ্রামে এক ব্যক্তি ৩ হাজার পিস চামড়া ক্রয় করেছেন।

কিন্তু লবণ না মেশানো ও বৃষ্টি শুরু হওয়ায় তার দেড় হাজার চামড়া নষ্ট হয়। এছাড়া সিলেট সুনাগঞ্জ থেকে দুটি ট্রাকে ৮০০ পিস চামড়া ঢাকার পোস্তায় আনা হয়। কিন্তু দুটি ট্রাকের চামড়া নষ্ট হয়ে গেলে ফেলে রেখে চলে যায়। এছাড়া রাজশাহীতে কিছু চামড়া নষ্ট হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, একটি গরুর চামড়ার মূল্য যখন আড়াই হাজার টাকার ছিল তখনও প্রক্রিয়াজাতকরণে ১০ থেকে ২০ শতাংশ চামড়া নষ্ট হয়েছে। এখনও সেরকমও হয়নি। তবে আগামী সপ্তাহ থেকে পোস্তার চামড়া ট্যানারির মালিকরা কেনাকাটা করবেন। আর ঢাকার বাইরের চামড়া আরও ১০ দিন পর আনা-নেয়া করা হবে।

মনিটরিং সেলে ভুক্তভোগীদের আড়াইশ’ ফোনকল : কোরবানির পশুর চামড়ার বাজার পর্যবেক্ষণ করতে মনিটরিং সেল খুলছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। কেন্দ্রীয় যৌথ সমন্বয় কমিটি, বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন দফতর/সংস্থার সমন্বয়ে মনিটরিং টিম এবং সব জেলা পর্যায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে এ টিম কাজ করেছে।

কিন্তু এরপরও ঠেকানো যায়নি চামড়া খাতের বিপর্যয়। জানা গেছে, মঙ্গলবার পর্যন্ত বিভিন্ন স্থান থেকে ২৫০টি ফোনকল আসে মনিটরিং সেলে। মূল্য না পাওয়া, চামড়া কিনে বিক্রি করতে না পারা, লবণমিশ্রিত চামড়া কোথায় বিক্রি করতে হবে এমন সব তথ্য জানতে ফোন দেয়া হয় মনিটরিং সেলে।

তবে বেশির ভাগ অভিযোগ ছিল মূল্য না পাওয়াকে কেন্দ্র করে। মনিটরিং সেলের প্রধান বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব এইচএম শফিকুজ্জামান বলেন, মনিটরিং সেলের কাজ হচ্ছে পরিবহন সমস্যা ও চামড়া সংরক্ষণের পর ট্যানারিগুলোতে বিক্রির লিংক করে দেয়া। এসব সমস্যার ফোনের মাধ্যমে সমাধান দেয়া হচ্ছে।

পোস্তায় ৪ লাখ পিস : ছোট-বড় মিলে আড়ইশ’ আড়ত রয়েছে পোস্তায়। অধিকাংশ চামড়া এখানে সংগ্রহ করা হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে মঙ্গলবার পর্যন্ত পোস্তার পাইকাররা চার লাখ পিস চামড়া সংগ্রহ করেছেন। আগামী সপ্তাহ থেকে সেখানে কেনাকাটা হবে।

পোস্তার আবদুল মাজেদ আড়তে কমিশন এজেন্ট মো. নয়ন ও তাজউদ্দীনের সঙ্গে কথা হল। তারা জানান, করোনার কারণে কোরবানির পরিমাণ অনেক কম হওয়ার আশঙ্কা ছিল। তবে চামড়ার যে পরিমাণ আমদানি তাতে মনে হচ্ছে, ঢাকায় গতবারের চেয়ে বড়জোর ৫ শতাংশ কম কোরবানি হয়েছে।

বেনাপোল সীমান্তে সতর্কতা : চামড়া পাচার রোধে বেনাপোল সীমান্তে সতর্কতা জারি করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে এরই মধ্যে বিজিবির লোকবল বৃদ্ধি করা হয়েছে। বন্দর এলাকাসহ স্থল ও রেলপথে নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় টহল জোরদার করেছে বিজিবি।

দেশের তুলনায় ভারতে চামড়ার দাম সব সময়ই বেশি পাওয়া যায়। সেজন্য প্রতি বছরই কোরবানি ঈদের পর সীমান্ত পথে ভারতে চামড়া পাচারের প্রবণতা দেখা যায়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়- বেনাপোল ও শার্শার পুটখালী, গোগা, কায়বা, অগ্রভুলোট, রুদ্রপুর, দৌলতপুর, গাতিপাড়া, ঘিবা, সাদিপুর, বড় আঁচড়া, কাশীপুর ও রঘুনাথপুর সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল বাড়ানো হয়েছে। সূত্র- যুগান্তর

এমবি