জেলার সদর উপজেলার আরাজী কৃষ্ণপুর , গ্রামের ১২ নং সালান্দর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে গোল ও লম্বা বেগুন চাষ করে কৃষকের ভাগ্য বদলের কথা থাকলেও। শতাধিক কৃষকের ভাগ্যের চাকা উল্টো ঘুরে এখন কৃষকের কপালে হাত। লাভের বদলে গুণতে হচ্ছে অতিরিক্ত লোকসান।

শুধু ধান চাষের উপর নির্ভরশীল কৃষি জমিতে বেগুন চাষ এনে দিয়েছিল এক নতুন গতি। এখন উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে দিগন্ত জুড়ে বেগুন ক্ষেতের সবুজের সমারোহ। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার বেগুনের বাম্পার কোথাও কোথায় ভাল ফলন হয়েছে। আবার কোথাও ভাল ফলন হলেও বেগুনে পোকা ধরায়, এখন গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত লোকসান।

উর্বর দো-আঁশ মাটির প্রাচুর্যের কারণে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রামে ধানের চেয়ে রবিশস্য ও সবজি আবাদ বেশি হয়।

কৃষকদের জীবন-জীবিকার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে কৃষির এই সফল বিবর্তন। এই জালাল উদ্দিন এর উৎপাদিত বেগুন রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রপ্তানী হচ্ছে। কারন তিনি নিজেই এক জন আরতদার।

রাজধানী ঢাকাসহ আশেপাশের উপজেলার বেগুন ব্যবসায়ীদের কাছে পৌছে যাচ্ছে এতদঞ্চলের রবি শস্যের অন্যতম গোল ও লম্বা বেগুন।

জালাল উদ্দিন এর কাছে খরচের কথা জানতে চাইলে বলেন, আমার প্রতি একর জমিতে বেগুন চাষ করতে খরচ পড়ে ৪৫ থেকে ৫০ হাজার টাকা। এই ফলন বিক্রি করে বাজার দর অনুযায়ী প্রতি একর জমির বেগুন সাড়ে ৪ লাখ থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করতে পারেন কৃষকরা।

বেগুন চাষী জালাল উদ্দিন জানান এইবার তার এক একর জমিতে সর্বসাকুল্যে খরচ হয়েছে প্রায় ৮০ হাজার টাকা। এ পর্যন্ত তিনি বেগুন ক্ষেত থেকে বেগুন তুলে পাইকারের কাছে প্রায় ২০ হাজার টাকার বেগুন বিক্রি করেছেন। ফলন অনুযায়ী বিক্রির কথা ছিল ৪ লাখ টাকার মত।

তিনি বলেন, গতকাল ৪০ মন বেগুন তুলে ১৩ মন ভাল বেগুন পাইছি, পোকা ধরায় সব নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

উল্লেখ যে, তিনি ধারণা করছেন এবার তাকে অতিরিক্ত লোকসান গুনতে হতে পারে তাই চিন্তিত তিনি।

এমআইএস