রাজনৈতিক অস্থিরতায় টানা ৮১ দিনের অবরোধ ও ৬৭ দিনের হরতালে দেশের অর্থনীতির ৪,৯০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। জিডিপিতে এ ক্ষতির পরিমাণ .৫৫ শতাংশ।
হরতাল অবরোধে প্রত্যেক দিনের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হয়েছে বলেও মত প্রকাশ করা হয়েছে।
রবিবার দুপুরে মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।
সাম্প্রতিক অবরোধ-হরতালের শুরু থেকে গত ১৭ই মার্চ পর্যন্ত সময়ের ওপর সিপিডির তৈরি করা এক গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।
প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গবেষক তৌফিকুল ইসলাম খান।
প্রতিবেদনে মোট ১১টি খাতের ক্ষতির চিত্র তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে পোশাক খাতে ১৩১৮ কোটি টাকা, কৃষি খাতে ৩৯৮ কোটি টাকা, পোল্ট্রিতে ৬০৬ কোটি টাকা, ফ্রোজেন খাতে ৭৪১ কোটি টাকা, প্লাস্টিক খাতে ২৪৪ কোটি টাকা, পরিবহন খাতে ৭৪৪ কোটি টাকা, টুরিজমে ৮২৫ কোটি টাকা, ব্যাংক ও বীমায় ১৫৬ কোটি টাকা এবং খুচরা বাজারে ৪৪৮কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
অনুষ্ঠানে সংস্থাটির সম্মানিত ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, উদার বাজার অর্থনীতি গড়ে তুলতে হলে রাজনীতিতে উদারতা গড়ে তোলা দরকার। এটি না হলে ব্যক্তি বিনিয়োগ বাড়বে না। এছাড়াও অর্থনীতিতে নীতি ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার দরকার। আমাদের নেতৃত্বের সক্ষমতা না থাকায় এটি সম্ভব হয়নি। এজন্য নেতৃত্বের সক্ষমতা বাড়াতে হবে।
তিনি বলেন, দেশে স্বাভাবিক কার্যক্রমে একটি অস্থিতিশীল অবস্থা রয়েছে যা সরকারের পক্ষ থেকেও অনেক সময় বলা হচ্ছে।
এসএইচ





