প্রস্তাবিত বাজেটে ৩০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বার্ষিক টার্নওভার ভ্যাট অব্যাহতির বিধান করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে প্যাকেজ ভ্যাট বাড়ানো গ্রহণযোগ্য নয়। আগের অর্থবছরের ন্যায় এবার ও তা অব্যাহত রাখার দাবি জানান তারা।
শনিবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের ব্যবসায়ী নেতারা এ দাবি জানান।
ব্যবসায়ীরা বলেন, স্থান ও স্থাপনা যা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়। দোকান মালিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী যারা প্যাকেজ ভ্যাট প্রদান করেন, তাদেরকে স্থান ও স্থাপনার মূসক থেকে অব্যাহতি জানায় এ সমিতি।
এ সময় ব্যবসায়ীরা আর বলেন, সারা দেশে ২৫ লক্ষ দোকানে দৈনিক ৩ হাজার কোটি টাকা ট্রানজেকশন হয়। এতে ১০ শতাংশ লাভ হয়।
এর মধ্যে দোকান ভাড়া, কর্মচারির বেতন ও অন্যান্য খরচও রয়েছে। দোকান মালিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী বা দোকানের এলাকা ভিত্তিক হিসেবে ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকা বছরে ১১ হাজার টাকা, অন্যান্য সিটি করপোরেশনে ৮ হাজার টাকা, জেলার পৌরসভায় ৬ হাজার টাকা, দেশের অন্যান্য এলাকায় ৩ হাজার টাকা নির্ধারিত ছিলো।
কিন্তু বর্তমানে প্রস্তাবিত বাজেটে যথাক্রমে ১৪ হাজার টাকা, ১২ হাজার টাকা, ৭ হাজার ২শ’ টাকা, ৩ হাজার ৬শ’ টাকায় বর্ধিত করার প্রস্তাব করা হয়। যার ফলে দোকান মালিকগণ একটা বাড়তি চাপে থাকবে।
অন্যদিকে মাঠ পর্যায়ের রাজস্ব কর্মকর্তাদের হয়রানির মাত্রা বাড়বে বলে জানায় দোকান মালিক সমিতি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি সভাপতি এ. এ কাদের কিরণ, মহাসচিব শাহ আলম খন্দকার, ঢাকা মহানগর দোকান মালিক সমিতির সভাপতি তৌফিক এহসান, সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল হোসেন প্রমুখ।
এমএ





