বাংলাদেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি কমে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ৬ শতাংশ হতে পারে বলে জানিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)।
বুধবার (২৮ এপ্রিল) প্রকাশিত ‘এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক (এডিও) ২০২১’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে এডিবি। এর আগে চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৮ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছিল এডিবি।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে এডিবি জানায়, “করোনার দ্বিতীয় ঢেউ চললেও পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। আমরা যখন পূর্বাভাস দিয়েছিলাম, তখন এই দ্বিতীয় ঢেউয়ের কথা বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। ফলে চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের ৬ দশমিক ৮ শতাংশ জিডিপি অর্জন হওয়ার যে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল, তা থেকে কমপক্ষে ১ শতাংশ কম অর্জিত হতে পারে। এই অর্থবছরে বাংলাদেশে জিডিপি অর্জিত হতে পারে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ৬ শতাংশ।”
“বৈশ্বিক অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ালে এবং যথাযথভাবে করোনা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হলে ২০২২ অর্থবছরে (২০২১-২২) প্রবৃদ্ধি বেড়ে হতে পারে ৭ দশমিক ২ শতাংশ” বলেও জানিয়েছে এডিবি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “বাংলাদেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণ ও মৃত্যু বাড়ছে। স্বাস্থ্য ব্যবস্থা আবারও চাপে পড়েছে। সরকার সংক্রমণ রোধে লকডাউন দিয়েছে ও ভ্রমণ নিয়ন্ত্রণ করেছে। এসব পদক্ষেপ জীবন বাঁচাবে, কিন্তু জীবনযাপনকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করবে এবং অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের গতি কমিয়ে দেবে।”
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, “রাজস্ব আদায় গত বছরের চেয়েও এ বছর বেশি হতে পারে। মূল্যস্ফীতি থাকতে পারে ৫ দশমিক ৫ থেকে ৬ শতাংশের মধ্যে। আর আমদানি যেমন আছে, তেমনই থাকতে পারে। তবে ব্যবসা-বাণিজ্য কিছুটা সঙ্কুচিত হতে পারে। রফতানি ও রেমিট্যান্স আগের মতোই ভালো অবস্থায় থাকতে পারে।”
এমবি





