আয়কর মেলার তৃতীয় দিনে সরকারি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বেসরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা আসেন। তাই ছুটির দিন সকাল থেকে আয়কর দাতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে রাজধানীর জাতীয় আয়কর মেলায়।

শুক্রবার রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড আয়োজিত আয়কর মেলায় এমন চিত্র দেখা যায়।

মেলা ঘুরে দেখা যায়, ছুটির দিন হওয়ায় সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাড়াও অন্যান্য পেশাজীবীরাও মেলায় আসছেন। করদাতাদের পদচারণা দেখা গেছে বিভিন্ন কর অঞ্চলের রিটার্ন গ্রহণ বুথ, হেল্প ডেস্ক, ব্যাংকের বুথ, ই-পেমেন্ট বুথ, ই-টিআইএন বুথসহ সব বুথে।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে কর বিবরণী জমা দিতে মেলায় এসেছেন বেসরকারি কর্মকর্তা মুমিনুল ইসলাম।তিনি বলেন, এর আগেই মেলায় অসতাম কিন্তু অফিসের কারণে সময় হয় না।তাই আজ ছুটির দিন হওয়ায় এসেছি। অন্য বছরের তুলনায় এবার সেবার মান খুবই ভালো।

গত দুবছর কর সার্কেল, কর বিবরণী, টাকা জমার ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা থাকলেও এবার তা হয়নি বলেও জানান এ কর্মকর্তা।

শান্তিনগর থেকে এসেছেন সরকারি কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন। তিনি বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় সেবার মান ভালো। কর দিতে কোনো ঝামেলা বা ভোগান্তি নেই।

শুধু কর বিবিরণী জমা নয় অনেকে মেলা সম্পর্কে জানতে বা দেখতেও ছুটির দিনে মেলায় এসেছেন। এমনই একজন পুরান ঢাকার ব্যবসায়ী মোমিনুল হক।

তিনি বলেন, দোকানের ট্রেড লাইন্সেস করতে ই-টিআইএন করেছি। তাই দেখতে এসেছি কিভাবে কর বিবরণী জমা দিতে হয়। পরে আবার এসে জমা দিয়ে যাবো।

এ ছাড়া মেলায় ব্যবসায়ী, অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ এসেছেন।

আয়কর মেলার আহ্বায়ক ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সদস্য মো. আবদুর রাজ্জাক জানান, মানুষের মধ্যে করভীতি দূর হয়েছে, তাই মেলায় মানুষের উপচেপড়া ভিড়। সেবার মানসিকতা নিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সেবা দিচ্ছেন বলেই এ উপস্থিতি।

মেলায় ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। মেলাসহ সারা দেশের সব কর অফিসে আরো দ্রুত সেবা দিতে বোর্ড কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান আবদুর রাজ্জাক।

এমআর