[b]ঢাকা: [/b]রাজনৈতিক কর্মসূচি ও সহিংসতায় পরিবহন খাতে দৈনিক প্রায় ৩০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়। সে হিসেবে অক্টোবর ২০১২ থেকে পরিবহন খাতে ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সমিতি ও বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন আজ বৃহস্পতিবার এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানায়। সংবাদ সম্মেলনে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবহন মালিকদের ঋণের সুদ মওকুফ ও ব্যাংক ঋণ পুনঃতফসিলের দাবি করা হয়।
এজন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আবেদন জানানো হয়।হরতাল-অবরোধ-ধর্মঘটের মতো কর্মসূচিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে গাড়িতে অগ্নিসংযোগসহ যান চলাচলে বাধাসৃষ্টি ও নাশকতার ঘটনা চলাকালে পরিবহণ খাত সংশ্লিষ্ট সংগঠন দুটি এ সংবাদ সম্মেলন করে।
রাজধানীর সেগুনবাগিচায় রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে ২০১২ সালের অক্টোবর থেকে ২০১৪ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত পরিবহন খাতে ক্ষতিগ্রস্থদের দাবি তুলে ধরা হয়।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সড়ক পরিবহন সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্লাহ।
এতে বলা হয়, অক্টোবর ২০১২ থেকে রাজনৈতিক সহিংসতায় প্রায় এক হাজার বাস, মিনিবাস, ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে; ভাংচুর করা হয়েছে প্রায় সাড়ে তিন হাজার গাড়ি। এতে প্রায় ১৩০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া উল্লেখিত সময়ে ৫৫ জন শ্রমিককে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, রাজনৈতিক সহিংসতার কারণে পরিবহন বন্ধ থাকলে দৈনিক প্রায় ৩০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়। সেই হিসেবে অক্টোবর ২০১২ থেকে পরিবহন খাতে ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা।সংবাদ সম্মেলনে ১৮ দলীয় জোটসহ সকল রাজনৈতিক দলের কাছে সহিংস রাজনীতি বন্ধ করার আহ্বান জানানো হয়।
পাশাপাশি এ ধরনের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের জন্য সরকারে প্রতিও আহ্বান জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল তালুকদার ও রমেশ চন্দ্র, সড়ক পরিবহন সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাতেন, সহসভাপতি আবুল কালাম ও হাসান ইমাম, প্রমুখ
[b]টাইমনিউজবিডি/এসএমআর[/b]