ভারত থেকে তুলা আমদানিতে সৃষ্ট জটিলতা নিরসন চায় তুলা ব্যবসাযীরা। রাজধানীর রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনে বাংলাদেশ-ভারত কটন ফেস্ট ২০১৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিটিএমএ নেতারা এই দাবি জানান।
গুণগত দিক থেকে ভাল মানসম্পন্ন, সহজ যোগাযোগ এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কারণে দেশের মোট চাহিদার ৫০ শতাংশ তুলা ভারত থেকে আমদানি করা হয়। তবে ভারত থেকে তুলা আমদানিতে বেশকিছু জটিলতার সম্মুখীন হতে হয় ব্যবসায়ীদের। সেসব জটিলতা যার নিরসনের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস এসোসিয়েশন (বিটিএমএ)।
বাংলাদেশ-ভারত কটন ফেস্ট ২০১৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিটিএমএ সভাপতি তপন চৌধুরীর সভাপতিতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিটিএমএ ভাইস প্রেসিডেন্ট ফজলুল হক, বাংলাদেশ কটন এসোসিয়েশনের (বিসিএ) প্রেসিডেন্ট বাদশা মিয়া, ইন্ডিয়ান কটন এসোসিয়েশনের সভাপতি শ্রী মাহিশ হালদার, ভারতের হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা প্রমুখ।
তপন চৌধুরী বলেন, বিশ্বের অন্যতম তুলা উৎপাদনকারী দেশ ভারত। প্রতিবেশী দেশ এবং বন্ধত্বপূর্ণ সম্পর্কের কারণে আমাদের দেশের চাহিদার প্রায় ৫০ শতাংশ তুলা ভারত থেকে আমদানি করা হয়।এ তুলা আমদানির ক্ষেত্রে প্রায়ই ব্যবসায়ীদের বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়। হঠাৎ করে তুলা রফতানি বন্ধ, ক্ষতিপূরণ পেতে বিড়ম্বনা বা ক্ষতিপূরণ দিতে অস্বীকারসহ নানা সমস্যা দেখা যায়। ভারতের তুলা রফতানিকারকদের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে এসব সমস্যা দূর করা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, আমদানিকৃত তুলার সময়মতো সরবরাহ নিশ্চিত করতে উভয় দেশের মধ্যে একটি চুক্তি করা প্রয়োজন। চুক্তি সম্পাদন হলে আমাদের বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।
বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ তার বক্তৃতায় বলেন, বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ বাংলাদেশ। ২০২১ সালে ৫০ বিলিয়ন ডলার পোশাক রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে আমাদের প্রচুর পরিমাণে তুলা আমদানি করতে হবে।
উল্লেখ্য যে, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে মোট আমদানির ৪৯ শতাংশ ভারত থেকে এসেছে। চলতি ২০১৫-১৬ অর্থবছরে মোট চাহিদার ৬০ শতাংশের বেশি তুলা ভারত থেকে আমদানি হতে পারে। তৈরি পোশাক উৎপাদনে প্রয়োজনীয় তুলা আমদানির পাশাপাশি অন্যান্য পণ্যের কাঁচামালও ভারত থেকে আমদানি করা হয়।
এমআইএস।





