আসন্ন বাজেটে ভ্যাট বাতিল করা না হলে আগামী ২৫ মে দোকানপাট বন্ধ রেখে মানববন্ধন করবে ব্যবসায়ীরা।
দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত তারা রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় তারা এ কর্মসূচি পালন করবেন। প্যাকেজ ভ্যাট পুনর্বহালসহ চার দফা দাবিতে শনিবার বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে ঢাকা দক্ষিণ ব্যবসায়ী ফোরামের সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আবু মোতালেব।
প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, নতুন মূসক আইনে দেশের ক্ষুদ্র শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য ও খুচরা দোকান পর্যায়ে বিক্রয় মূল্যের ওপর ১৫% মূসকের নামে কার্যত আবগারী শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। এতে ঢাকা শহরের ব্যবসায়ীরা উদ্বিগ্ন। এটি কার্যকর হলে প্রত্যেক পণ্যের দাম এক লাফে ১০ থেকে ১২ ভাগ বেড়ে যাবে। দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে ধস নামবে।
সরকারকে হুঁশিয়ারি করে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, এ বিকলাঙ্গ আইনে দেশ পর্যুদস্ত হবে। গণ অসন্তোষ সৃষ্টি হবে। তিনি বলেন, চীন ও ভারতের পণ্যে বাজার সয়লাব হয়ে গেছে, এনবিআরের সেদিকে দৃষ্টি নেই।
সংবাদ সম্মেলনে চার দফা দাবি পেশ করা হয়। দাবিগুলো হল- খুচরা ব্যবসায়ী ও দোকানদারদের বার্ষিক ভিত্তিতে সুনির্দিষ্ট পরিমাণে টার্নওভার কর (প্যাকেজ ভ্যাট) হিসাবে পরিশোধের ব্যবস্থা করা, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে ৩৬ লাখ টাকার উর্ধ্বে দেড় কোটি টাকা পর্যন্ত টার্নওভারের ওপর তিন শতাংশ কর পরিশোধের বিধান করা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ও সব সেবাখাতের উপকরণ কর রেয়াত গ্রহণে অসমর্থ ব্যক্তির সরবরাহ মূল্যের ওপর ৪% হারে মূসক পরিশোধের বিধান করা, ব্যবসায়ী পর্যায়ে তালিকাভুক্তযোগ্য ব্যক্তি যারা নির্ধারিত মূল্যে পণ্য বিক্রি করে তাদের ওপরে ২ শতাংশ হারে টার্ন ওভার কর পরিশোধের বিধান করা।
ঢাকা দক্ষিণ ব্যবসায়ী ফোরামের সভাপতি আব্দুস সালাম, এফবিসিসিআই সদস্য মঞ্জুর আহমেদসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবসায়ী নেতারা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
ওএফ





