চলতি অর্থ বছরে (২০১৫-২০১৬) রফতানি লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩৩ দশমিক ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

এরমধ্যে বিগত ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) রফতানি আয় দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৬৪০ মিলিয়ন ডলার বা ২৭ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন। যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৯ দশমিক ২৭ শতাংশ বেশি।

গত অর্থ বছরে (২০১৪-২০১৫) ৩৩ দশমিক ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রফতানি আয় হয়েছিল ৩১ দশমিক ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। রফতানি প্রবৃদ্ধি ছিল ৯ দশমিক ৬ শতাংশ।

বুধবার রফতানি চট্টগ্রামে এক সেমিনারে রফতানি বাণিজ্যের সাম্প্রতিক গতি প্রকৃতি সম্পর্কে আলোকপাত করতে গিয়ে এসব তথ্য জানান রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো চট্টগ্রাম কার্যালয়ের পরিচালক মো.আলগীর সিদ্দিকী।

ইপিবি চট্টগ্রাম কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘ফিউচার অফ এক্সপোর্ট পলিসি২০১৫-২০১৮’শীর্ষক এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন আলমগীর সিদ্দিকী।

চলতি অর্থ বছরে রফতানি প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকলে নির্ধারিত রফতানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে বলে আশা করছেন তিনি।

সেমিনারের রিসোর্স পার্সন হিসেবে বক্তব্য উপস্থাপন করেন রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো কেন্দ্রিয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক জনাব অনুপ কান্তি সাহা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত চট্টগ্রাম চেম্বারের পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ।

দি চিটাগাং উইমেন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রিজ’র পরিচালক রেখা আলম চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংক চট্টগ্রাম কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. রাফিউল মুনীর, সরকারি-বেসরকারি, স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, বীমা, রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানের ৫৩ জন প্রতিনিধি সেমিনারে অংশ নেন।

রফতানিকারক ও রফতানি কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত কর্মকর্তাদের জ্ঞান ও দক্ষতা বাড়াতে রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো প্রতি বছর দেশের বিভিন্ন স্থানে সেমিনার ও কর্মশালা আয়োজন করে থাকে। এরই অংশ হিসেবে ‘ফিউচার অফ এক্সপোর্ট পলিসি ২০১৫-২০১৮’শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে।

সেমিনারে চেম্বার পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ বলেন, রফতানি উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো এ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে নিয়মিত সভা- সেমিনারের আয়োজন করে থাকে।

ব্যবসার জন্য গৃহীত ঋণের উপর ব্যাংক সমূহের প্রচলিত সুদের হার এবং ভ্যাটের পরিমান বেশি। ফলে অনেক ব্যবসায়ী দেউলিয়া হয়ে যাচ্ছে। তাই এ বিষয়ে রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর সার্বিক সহায়তা প্রয়োজন। না হলে অনেক ব্যবসায়ীর ব্যবসা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হবে।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে রিসোর্স পার্সন অনুপ কান্তি সাহা পাওয়ার পয়েন্টে প্রেজেন্টেশানের মাধ্যমে ‘ফিউচার অফ এক্সপোর্ট পলিসি’বিষয়ের উপর বিশদ আলোচনা করেন।

ওএফ