[b]ঢাকা: [/b]সময়ের আবেদনসহ ব্যক্তি-শ্রেণির করদাতাদের প্রায় ১০ লাখ আয়কর বিবরণী জমা পড়েছে। এর বিপরীতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) প্রত্যক্ষ কর বা আয়কর বাবদ রাজস্ব পেয়েছে প্রায় ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। তবে চূড়ান্ত হিসাবে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। এনবিআরের আয়কর অনু বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
এনবিআরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী বর্তমানে বিভিন্ন কর অফিস থেকে প্রায় ১৭ লাখ টিআইএন (করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর) ইস্যু করা হয়েছে। সেই হিসাবে এখনও আয়কর বিবরণী জমার বাইরে রয়ে গেছেন প্রায় সাত লাখ ব্যক্তি-শ্রেণির করদাতা। এনবিআর প্রত্যাশা করেছিল নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে এবার অন্তত ১২ লাখ আয়কর বিবরণী জমা পড়বে।
কিন্তু প্রত্যাশা অনুযায়ী আয়কর বিবরণী জমা না পড়ায় তিন দফা সময় বাড়ানো হয়। প্রথম দফা ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত। দ্বিতীয় দফা ১ ডিসেম্বর এবং তৃতীয় দফায় ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আয়কর বিবরণী জমা দেওয়ার সময় বাড়ানো হয়।
এ প্রসঙ্গে এনবিআরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, অনলাইনে ই-টিআইএন রি-রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ১০ সংখ্যার পরিবর্তে ১২ সংখ্যার ই-টিআইএন নম্বর গ্রহণের ক্ষেত্রে কর সার্কেল ও জোন পরিবর্তন, ঈদুল আজহা ও পূজার ছুটি এবং হরতালসহ বিরাজমান রাজনৈতিক কর্মসূচির জন্য উদ্ভূত অস্থিরতার কারণে প্রত্যাশা অনুযায়ী আয়কর বিবরণী জমা পড়েনি।
এদিকে আয়কর অধ্যাদেশ অনুযায়ী ব্যক্তি-শ্রেণির করদাতাদের আয়কর বিবরণী জমা দেওয়ার শেষ দিন ৩০ সেপ্টেম্বর। তবে এর মধ্যে আয়কর বিবরণী জমা দেওয়ার কথা থাকলেও প্রতি বছরই ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে শেষ মুহূর্তে এসে সময় বাড়ানো হয়।
আর টিআইএনধারীদের বার্ষিক রিটার্ন বা আয়কর বিবরণী জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। এনবিআরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী বর্তমানে বিভিন্ন কর অফিস থেকে প্রায় ১৭ লাখ টিআইএন ইস্যু করা হয়েছে। অর্থাৎ দেশের টিআইএনধারীর সংখ্যা প্রায় ১৭ লাখ। এদের সবার আয়কর বিবরণী জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। আর আয়কর বিবরণী জমা না দিলে জেল ও জরিমানার বিধান রয়েছে।
[b]টাইমনিউজবিডি/এসএমআর[/b]
অর্থনীতি
আয়কর বিবরণী জমা পড়েছে ১০ লাখ
ঢাকা: সময়ের আবেদনসহ ব্যক্তি-শ্রেণির করদাতাদের প্রায় ১০ লাখ আয়কর বিবরণী জমা পড়েছে। এর বিপরীতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) প্রত্যক্ষ কর বা আয়কর বাবদ রাজস্ব পেয়েছে প্রায় ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। তবে চূড়ান্ত হিসাবে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।





