ইকুইটি অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ ফান্ড (ইইএফ) থেকে ঋণ সহায়তা প্রাপ্তির প্রক্রিয়া সহজ হচ্ছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এবং বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিষয়ে কাজ করছে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

জানা গেছে, বর্তমান নীতিমালা অনুযায়ী একজন নতুন উদ্যোক্তাকে ইইএফ তহবিল থেকে ঋণসহায়তা নিতে হলে প্রতিষ্ঠানের নামে একটি লিমিটেড কোম্পানি নিবন্ধন নিতে হয়।
টিন নম্বর, রফতানি নিবন্ধন সনদ (ইআরসি), তিন বছরের ব্যালান্স শিট, ট্যাক্স রিটার্ন, কোম্পানি রিটার্নসহ প্রকল্প প্রস্তাব ও বিভিন্ন নথিপত্র জমা দিতে হয়। এসব কাগজপত্র তৈরি করতে নতুন উদ্যোক্তাদের অনেক সময় ও অর্থ ব্যয় হয়ে যায়।

এতে নতুন উদ্যোক্তারা আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। সমস্যা নিরসনে বিভিন্ন সময়ে বিশেষজ্ঞরা নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য ইইএফ তহবিল থেকে ঋণপ্রাপ্তির প্রক্রিয়া সহজ করার পরামর্শ দিয়ে আসছিলেন। এসবের পরিপ্রেক্ষিতেই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা দেয়া হয়।

প্রসঙ্গত, সফটওয়্যার শিল্প এবং খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও কৃষিভিত্তিক শিল্পে নতুন বিনিয়োগ উত্সাহিত করার লক্ষ্যে উদ্যোক্তাদের মূলধন সহায়তা প্রদানের উদ্দেশে ২০০১ সালে ইইএফ গঠন করা হয়। প্রাথমিকভাবে এ তহবিলের মূলধন ছিল ১০০ কোটি টাকা।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সুপারিশ পাওয়ার পর ইইএফ কার্যক্রম তদন্ত করতে গিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম খুঁজে পায়। মন্ত্রণালয় এসব অভিযোগ বাংলাদেশ ব্যাংককে অবহিত করে। পরে বাংলাদেশ ব্যাংক পুরো কার্যক্রম পুনঃনিরীক্ষণের সিদ্ধান্ত নেয়। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট ফর ডেভেলপমেন্ট স্টাডিসকে (বিআইডিএস) পুনঃনিরীক্ষণের দায়িত্ব দেয়া হয়। এরই মধ্যে তারা তাদের প্রতিবেদন বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে জমা দিয়েছে বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, ইইএফ নীতিমালার সংস্কার প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে কাজ করবে বিজনেস ইনিশিয়েটিভ লিডিং ডেভেলপমেন্ট (বিল্ড)।

ঢাকা, ৫ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) // এমআর