প্রযুক্তির অভাবে গরু, মহিষ ও ছাগল ভেড়ার উচ্ছিষ্ট (পশুর বর্জ্য) চামড়া, কাট, ছাট, পেকাট, লেচকাট বিদেশে রপ্তানি করে শত কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দেশ।আর রপ্তানিযোগ্য এসব ফেলে দেয়া পশুর বর্জ্য শুধুমাত্র কুকুরে খাচ্ছে আর পরিবেশ দূষন হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি গোলাম মর্তুজা মন্টুর সভাপতিত্বে বনানী খেলার মাঠে মাংস শ্রমিক ও মাংস ব্যবসায়ীদের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের মহাসচিব রবিউল আলম, ঢাকা মেট্রোপলিটন মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক শামীম আহম্মেদ, কাজী আনোয়ার হোসেন, মো. খলিলুর রহমান, জাহাঙ্গীর আলম, তারেক আহম্মেদ কোরেশি প্রমুখ ।
রবিউল আলম বলেন, প্রযুক্তির অভাবে রপ্তানিযোগ্য পশুর বর্জ্য ডাস্টবিন ফেলে দেয়া হয়। তবে মাংস ব্যবসায়িরা সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডাস্টবিন থেকে ওই সব গশুর বর্জ্য কুড়িয়ে এনে সরকারকে 'ডলার দিতে চাই'। একই সঙ্গে পশুর বর্জ্য রপ্তানি করে পরিবেশ রক্ষা করতে চাই, চামড়া, কাট, ছাট, লেচকাট পেকাট ঠিক করে চামড়া শিল্পের উন্নয়নের পাশাপাশি শত শত কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা আয় হবে। আমরা নতুন ইতিহাস গড়তে চাই।
তারা মাংস শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ নিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ইকোনমিক যৌথ প্রোগ্রাম, বিইজিপির সাথে আলোচনা করতে চান।
সমাবেশে মাংস ব্যবসায়ী সমিতির নেতারা চামড়া শিল্প উন্নয়ন এবং পশুর বর্জ্য প্রক্রিয়া করণ সংক্রান্ত বিষয়ে মাংস শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানিয়েছেন।
একে