[b]ঢাকা: [/b]বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রেমিট্যান্স সংগ্রহের ব্যাপারে নয়া নীতিমালা জারি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পরিষদের বৈঠকে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ দেশে আনতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না অধিকাংশ বাণিজ্যিক ব্যাংক। বিদায়ী বছরে টাকার বিপরীতে ডলারের মান কম হওয়ায় রেমিট্যান্স এনে আর্থিক ক্ষতিতে পড়ছে একাধিক ব্যাংক। এ অবস্থায় ব্যাংকগুলো তাদের অভ্যন্তরীণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে রেমিট্যান্স না নেওয়ার ব্যাপারে নির্দেশনা দিচ্ছে।
আবার অনেক ব্যাংক যদিও বা রেমিট্যান্স দেশে আনছে ডলারের চাহিদাকে বিবেচনায় রেখে, এ অবস্থায় সার্বিকভাবে রেমিট্যান্স প্রবাহে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য পরিচালনা পরিষদের হস্তক্ষেপ চেয়েছে ব্যাংকগুলোর এ নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
জানা গেছে, ব্যাংকগুলো যেন ইচ্ছাকৃতভাবে রেমিট্যান্স প্রবাহের ধারাকে বাধাগ্রস্ত না করতে পারে, সে ব্যাপারে বিশেষ নজর দিতে বলেছেন পরিচালনা পরিষদের সদস্যরা। পাশাপাশি এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা দরকার বলেও অভিমত দিয়েছেন তারা। এদিকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বৈদেশিক শাখায় কর্মরত কর্মকর্তারা বলছেন,
বর্তমানে বাজারে উদ্বৃত্ত ডলার থাকায় সমস্যাটা তৈরি হয়েছে। রেমিট্যান্স আনতে ডলারপ্রতি ৭৮ টাকা ৫০ পয়সা ব্যয় হলেও দেশে তা পাওয়া যাচ্ছে ৩০ পয়সা কমে। এছাড়া রেমিট্যান্স ও রফতানি আয় মিলে যে ডলার পাওয়া যাচ্ছে, আমদানি ব্যয় হচ্ছে তার তুলনায় বেশ কম। ফলে ব্যাংকে রাখা আমানতের অর্থে রেমিট্যান্স আনতে গিয়ে লোকসানে পড়ছে ব্যাংকগুলো।
এদিকে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার কিনেছে ২৩৫ কোটি ৩০ লাখ। আগের অর্থবছরে কিনেছিল ৪৫৪ কোটি ডলার। হিসাব অনুযায়ী দেড় বছরে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর এ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ৬৮৯ কোটি ৩০ লাখেরও বেশি ডলার কিনেছে।
অন্যদিকে দেশের অথনৈতিক অবস্থার ভারসাম্যহীনতার কারণে বছরভিত্তিক হিসেবে রেমিট্যান্স প্রবাহ কমেছে। ২০১২ সালে প্রবাসীরা ১৪ দশমিক ১৮ বিলিয়ন ডলার দেশে পাঠালেও গত বছর পাঠিয়েছেন ১৩ দশমিক ৮৪ বিলিয়ন
[b]টাইমনিউজবিডি/এসএমআর[/b]
অর্থনীতি
রেমিট্যান্স সংগ্রহে নতুন নীতিমালা আসছে
ঢাকা: বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রেমিট্যান্স সংগ্রহের ব্যাপারে নয়া নীতিমালা জারি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পরিষদের বৈঠকে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।





