বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র এএফএম আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন গভর্নর আতিউর রহমান আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কার্যালয়ে যাবেন।প্রধানমন্ত্রী যদি চান তাহলে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমান পদত্যাগ করবেন।

তার সাথে দেখা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অর্থ জালিয়াতিকে ঘিরে যেসব ঘটনা তার ব্যাখ্যা করবেন। আর প্রধানমন্ত্রী যদি চান তাহলে তিনি তার পদ থেকে সরে দাঁড়াবেন।

মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের দশ কোটি ডলার লোপাট হবার ঘটনার ধারাবাহিকতায় এসব তথ্য আসছে।

ওদিকে আজ একটি জরুরী সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন অর্থমন্ত্রী এএমএ মুহিত। ধারণা করা হচ্ছে এই সংবাদ সম্মেলন থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকে বড় ধরণের রদবদলের ঘোষণা দেয়া হবে।

বেলা এগারোটার বদলে এখন আড়াইটায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের এই সংবাদ সম্মেলন থেকেই বাংলাদেশ ব্যাংকে বিরাট রদবদলের খবর আসবে।

গতকালই অর্থমন্ত্রী মিস্টার মুহিত এই ইঙ্গিত দিয়ে দেয়ার পর বাংলাদেশ ব্যাংকের এই আশু পরিবর্তন নিয়ে নানারকম আলাপ আলোচনা চলছে।

কেউ কেউ বলছেন গভর্নর ড.আতিউর রহমানকে সরিয়ে দেবার বা তার পদত্যাগ করার মতো খবরও বেরিয়ে আসতে পারে এই সংবাদ সম্মেলন থেকেই।

অর্থ লোপাট নিয়ে বাংলাদেশে বিস্তর তোলপাড়ের মধ্যেই ভারতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের এক বৈঠকে যোগ দিতে গিয়েছিলেন গভর্নর ড. রহমান, যেখান থেকে গতকালই তিনি ফিরেছেন।

আজ বিকেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি বোর্ড সভায় যোগ দেবার কথা তার, কিন্তু খবরে জানা যাচ্ছে বিকেলের পূর্ব নির্ধারিত এই বৈঠক গতকালই বাতিল করা হয়েছে।

মূলত গত চৌঠা ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে অজ্ঞাত হ্যাকাররা নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের দশ কোটি দশ লাখ ডলার হাতিয়ে নেয়।

বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ পুরো ঘটনা চেপে গিয়ে নিজেরাই ঘটনা সামাল দেয়ার চেষ্টা করে এবং এ নিয়ে এমনকি অর্থ মন্ত্রণালয়ও দীর্ঘদিন অন্ধকারে রাখে।

এতে ক্ষেপে গিয়ে অর্থমন্ত্রী গত রবিবারই ঘোষণা দেন তিনি তার ভাষায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষের এই ধৃষ্টতার বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবেন।

এমবি