ভারতের আমরি, আর এন টেগোর, মেডিকা, রুবি কিংবা দিশান হাসপাতালের বাংলাদেশের হেল্প ডেস্কগুলি ধুয়ে মুছে তকতকে করা হয়েছিল। মারকুইস স্ট্রিট, সদর স্ট্রিট এর হোটেলগুলি তৈরি হচ্ছিলো।

২০ আগস্ট (শুক্রবার) থেকে চালু হওয়ার কথা ছিল ভারত- বাংলাদেশের ফ্লাইট। কিন্তু শেষমুহূর্তে দু দেশের আলোচনা ভেস্তে যাওয়ায় শুক্রবার চালু হয়নি বাংলাদেশ-ভারত ফ্লাইট।

হাসপাতাল গুলি হতাশ বাংলাদেশের রোগী না আসায়। অনলাইন বুকিং বাতিল হয়েছে। সার্জারির ডেট স্থগিত করা হয়েছে। বুকিং বাতিল হয়েছে মারকুইস স্ট্রিট কিংবা সদর স্ট্রিট এর হোটেলগুলিতেও।

নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায় যে, ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রনালয় অনুমতি দেয়নি। তাই এই ফ্লাইট ব্যবস্থা বাতিল।

মহামারী করোনার ১ম ধাক্কায় ভারত- বাংলাদেশ ফ্লাইট ব্যবস্থা বন্ধ হয় গত বছর। তারপর করোনা কমার পর দুদেশের মধ্যে ফ্লাইট চালু হয়েছিল বায়ো বাবল এর মাধ্যমে।

এরপর করোনার ২য় সার্জ এ ৪ মাস বিমান চলাচল বন্ধ থাকার পর ২০ আগস্ট (শুক্রবার) এই সার্ভিস চালু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু লাল ফিতার ফাঁস তা-ও আটকে দিল।

এইচএন