আগামী ১০ বছর আবাসন খাতে কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ চায় রিয়েল স্টেট ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিহ্যাব।
রবিবার সকালে প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেছেন সংগঠনটির প্রেসিডেন্ট আলমগীর শামসুল আলামিন।
তিনি বলেন, দেশের সম্ভাবনাময় আবাসন শিল্পকে রক্ষা এবং অর্থ পাচার রোধে আগামী ১০ বছর অপ্রদর্শিত অর্থ বা কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ চায় আবাসন খাতের সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)।
এছাড়া রেজিস্ট্রেশন ফি, স্ট্যাম্প ডিউটি, গেইন ট্যাক্স কমানো, দ্বিতীয়বার ফ্ল্যাট বা প্লট ক্রয়-বিক্রয় ব্যবস্থা চালু করা অর্থাৎ সেকেন্ডারি বাজার চালু করারও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
তিনি বলেন, অর্থ পাচার রোধ কল্পে কোনো শর্তছাড়া আবাসন খাতে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিযোগের সুযোগ প্রদান করা প্রযোজন। আগামী ১০ বছরের জন্য এ নীতি গ্রহণ করলে দেশে বিশাল উন্নয়ন সম্ভব । আমরা চাই সরকার সোর্সে কালো টাকা বন্ধ করুক। ব্যবহারে ১০ বছরের জন্য প্রশ্ন না করুক।
রিহ্যাব সভাপতি বলেন, স্বল্প ও মধ্যবিত্ত আয়ের শ্রেণির জনসাধারণ জন্য ‘হাউজিং লোন’ নামে ২০ হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ তহবিল গঠন করতে হবে। এই তহবিল গঠনের পূর্বে সিঙ্গেল ডিজিট সুদে রি-ফাইন্যান্সিং পুনঃপ্রচলনের করতে হবে।
তিনি বলেন, প্রবাসীদের দেশে ফেরা, ব্যাংকের উচ্চ সুদ হার, নতুন জমি সংকট, নির্মাণ সামগ্রীর উচ্চমূল্য, নতুন গ্যাস সংযোগ সমস্যাসহ বিভিন্ন কারণে আবাসন খাতে বিক্রি কমেছে ৮০ শতাংশ এবং উদ্যোক্তাদের নতুন প্রকল্প গ্রহণের হার কমেছে ৯০ শতাংশ।
বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ঋণ প্রবাহ কমে যাওয়ায় চরম তারল্য সংকটে পড়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এ পরিস্থিতিতে আসন্ন বাজেটে (২০১৬-১৭) রিহ্যাবের প্রস্তাবিত সুপারিশগুলো বিবেচনা না করলে ভবিষ্যতে এই খাত চরম হুমকির মুখে পড়বে। এতে বড় ধরনের রাজস্ব আদায় থেকে রাষ্ট্র বঞ্চিত হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সংবাদ সম্মলনে আরো উপস্থিত ছিলেন রিহ্যাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট রবিউল হক, লিয়াকত আলী, মো. আনোয়ারুজ্জামান, প্রকৌশলী সরদার মো. আমিন প্রমুখ।
এমই





