‘কৃষি পণ্যের জাতীয় মূল্য কমিশন’ গঠনের দাবি জানিয়েছে কর্মজীবী নারী নামের একটি সংগঠন। খাদ্য নিরাপত্তা ও খাদ্য সার্বভৌমত্ব অর্জনে কৃষিপণ্যের লাভজনক মূল্য নিশ্চিত করতে সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই মানববন্ধনে এ দাবি করে সংগঠনটি।
এ সময় কর্মজীবী নারীর নির্বাহী পরিচালক রোকেয়া রফিক বলেন, বাংলাদেশে কৃষিতে উৎপাদন ব্যয় ক্রমশ বৃদ্ধি পেলেও লাভজনক মূল্য না পাওয়ায় কৃষক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। তারপরও কৃষক তার উৎপাদন কার্য অব্যাহত রেখেছে এবং ফসলে বিশেষ করে ধান উৎপাদনে উদ্ধৃত্ততা রক্ষা করছে। উদ্ধৃত্ততা রক্ষা করে কৃষকের কোনো লাভ হয় না কেননা উদ্ধৃত্তের মালিকানা চালকল মালিক ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণে।
তিনি আরও বলেন, আমন মৌসুম শেষে সরকার গত ২৮ নভেম্বর আমন সংগ্রহের জন্য চালের যে ক্রয়মূল্য নির্ধারণ করেছিল তাতে কৃষকের কোনো লাভ হয়নি। কৃষকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী শেরপুর, রাজবাড়ী, চুয়াডাঙ্গা, দিনাজপুর জেলায় আমন ধান উৎপাদনে যে ব্যয়ের হিসেব পাওয়া গেছে তা সরকারের বেঁধে দেওয়া ক্রয়মূল্যের চেয়ে বেশি।
সংগঠনের সমন্বয়ক রাহেলা রব্বানী বলেন, চুয়াডাঙ্গায় কৃষক পর্যায়ে প্রতিকেজি ধানের উৎপাদন ব্যয় ছিল ২৫.৭৩ টাকা যেখানে সরকারিভাবে প্রতিকেজি ধানের ক্রয়মূল্য নির্ধারিত হয়েছিল ১৭.০২ টাকা। দেশের অন্যান্য জেলার ধান উৎপাদন পরিস্থিতিও মোটামুটি এরকমই।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বোরো মৌসুমকে সামনে রেখে অতি সম্প্রতি খাদ্য মন্ত্রনালয়ের ফুড প্ল্যানিং এন্ড মনিটরিং ইউনিট (এফপিএমইউ) খাদ্য শস্যের অগ্রিম মূল্য ঘোষণা করেছে। এই মৌসুমে মাঠপর্যায়ে নিরীক্ষা করে দেখা গেছে কৃষকের বিনিয়োকৃত অর্থের সুদ, পারিবারিক শ্রম, কৃষকের শ্রমমূল্য বাদে প্রতিকেজি ধানের উৎপাদন মূল্য ২০.৫০ টাকা থেকে ২৪.২৩ টাকা পর্যন্ত। কিন্ত সরকার নির্ধারিত ধানের প্রতিকেজি মূল্য ১৭.৫০ টাকা। তাই বোরো ধানের প্রকৃত উৎপাদন ব্যয় নির্ধারণ সাপেক্ষ এর ক্রয়মূল্য পুনঃনির্ধারণ করা অত্যান্ত জরুরী।
[b]ঢাকা, ৩১ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // এমআর[/b]
অর্থনীতি
কৃষিপণ্যের জাতীয় মূল্য কমিশন গঠনের দাবি
‘কৃষি পণ্যের জাতীয় মূল্য কমিশন’ গঠনের দাবি জানিয়েছে কর্মজীবী নারী নামের একটি সংগঠন। খাদ্য নিরাপত্তা ও খাদ্য সার্বভৌমত্ব অর্জনে কৃষিপণ্যের লাভজনক মূল্য নিশ্চিত করতে সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই মানববন্ধনে এ দাবি করে সংগঠনটি।





