করোনাভাইরাসের কারণে গার্মেন্টস শ্রমিকদের চলতি মাসের বেতন পরিশোধ করে কারখানা বন্ধের দাবি জানিয়েছে গার্মেন্টস শ্রমিক অধিকার আন্দোলন।
শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল ১০টায় রাজধানীর তোপখানা রোডস্থ বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনের ৬ষ্ঠ তলায় গার্মেন্টস শ্রমিক অধিকার আন্দোলনের অস্থায়ী কার্যালয়ে এক জরুরী সভা থেকে এই দাবি জানানো হয়েছে।
গার্মেন্টস শ্রমিক অধিকার আন্দোলনের কেন্দ্রীয় পরিচালনা কমিটির সমন্বয়কারী এড. মাহবুবুর রহমান ইসমাইলের সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন- গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরামের সভাপতি মোশরেফা মিশু, সম্পাদক শহীদুল ইসলাম সবুজ, গার্মেন্টস শ্রমিক সংহতি সভানেত্রী তাসলিমা আক্তার, সম্পাদক জুলহাস নাঈম বাবু, গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি মাসুদ, সম্পাদক রাজু আহমেদ, গার্মেন্টস শ্রমিক মুক্তি আন্দোলনের সভাপতি শামীম ইমাম, সম্পাদক শবনম হাফিজ, বিপ্লবী গার্মেন্টস শ্রমিক সংহতির সভাপতি মোস্তাক আহমেদ, গার্মেন্টস শ্রমিক আন্দোলনের সভাপতি বিপ্লব ভট্টাচার্য, জাতীয় সোয়েটার গার্মেন্টস ও ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের সভাপতি এএএম ফয়েজ আহমেদ, গার্মেন্টস শ্রমিক সভা সভাপতি শামসুজ্জোহা প্রমুখ।
সভায় নেতৃবৃন্দ উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে সারা পৃথিবীতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। সকল প্রকার সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে। করোনাভাইরাস প্রতিনিয়ত সংক্রামিত হচ্ছে। এমনতর অবস্থায় ৪০ ভাগ গার্মেন্টস শ্রমিক যে ৫ হাজার গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানে কাজ করে এই কারখানাগুলো অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ এবং প্রতিটি গার্মেন্টস একই দালানে অবস্থিত। এমতাবস্থায় কোন শ্রমিকের মধ্যে এই ভাইরাস ছড়ালে শ্রমিকদের মধ্যে মহামারি আকারে বিস্তার ঘটবে। যা নিয়ন্ত্রণের বাহিরে চলে যাবে।
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, ভাইরাস শুধু এয়ারপোর্ট-মল আর অফিস-আদালতে নয়। শ্রমিকদের কর্মস্থলও গুরুত্বের দাবি রাখে। সেজন্য ২/১ দিনের মধ্যে সকল কারখানা বন্ধ ঘোষণা করে চলতি মাসের অগ্রীম বেতন ও যাতায়াত ভাতা পরিশোধ করার জন্য জরুরী ভিত্তিতে দাবি জানানো হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
এমবি





