আর্থিক অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত। বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর দোড়গোড়ায় তথ্য-প্রযুক্তি নির্ভর আধুনিক ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক দু’টি ব্যাংককে এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন দিয়েছে।
এ কার্যক্রমের আওতায় প্রাথমিক পর্যায়ে সারাদেশে ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড ৩০টি এবং এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড ২০টি এজেন্ট নিয়োগ করতে পারবে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক এ তথ্য জানিয়েছে।
এর আগে ২০১৩ সাল হতে পাইলট প্রকল্প হিসাবে ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান থানার বিভিন্ন স্থানে ৮টি, লৌহজং থানায় ১টি এবং শ্রীনগর থানায় ২টি এজেন্ট নিয়োগ করে এ কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। এ সকল এজেন্টের মাধ্যমে ২ হাজারের বেশী গ্রাহককে ব্যাংকিং সেবা প্রদান করা সম্ভব হয়েছে।
জানা গেছে, এজেন্ট ব্যাংকিং হলো শাখার পরিবর্তে ব্যাংকের সাথে চুক্তি সম্পাদনকারী তৃতীয় পক্ষ তথা প্রতিনিধির মাধ্যমে গ্রাহকদের ব্যাংকিং সেবা প্রদান করা।
বাংলাদেশ ব্যাংক অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে গণমানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর আধুনিক ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। গ্রামের মানুষ যাতে সহজে ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করতে পারে এবং অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে তাদের অংশগ্রহণ বাড়াতে পারে, সে লক্ষ্যে বর্তমানে শহর ও পল্লী অঞ্চলে শাখা খোলার অনুপাত ১:১ করা হয়েছে। কৃষকদের জন্য ১০ টাকায় ব্যাংক হিসাব খোলা, গার্মেন্টস শ্রমিক ও স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ১০০ টাকায় ব্যাংক হিসাব খোলা এবং পথশিশু ও কর্মজীবী শিশুদের জন্য ব্যাংক হিসাব খোলার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
মোবাইল ব্যাংকিং চালুর মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ রেমিট্যান্স প্রেরণ সহজতর করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকে অটোমেটেড ক্লিয়ারিং হাউজ স্থাপন, তফসিলি ব্যাংকসমূহ কর্তৃক সারাদেশে এটিএম বুথ স্থাপন, অন-লাইন ব্যাংকিং চালুকরণসহ আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর ব্যাংকিং সেবা প্রদানে ব্যাংকসমূহকে উৎসাহ প্রদান এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাসহ সব ধরণের সহযোগিতা প্রদান করছে। বর্তমানে সারাদেশে ব্যাংকের ৮,৭২৮ টি শাখা (যার ৪,৯৮৩ টি পল্লী শাখা), প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার এটিএম বুথ রয়েছে।
এছাড়া মোবাইল ব্যাংকিং এর আওতায় প্রায় ১ কোটি ৫০ লক্ষ গ্রাহককে ব্যাংকিং সেবা প্রদান করা হচ্ছে।
এজেন্ট ব্যাংকিং এর মাধ্যমে সেবা প্রদানের এ উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে পল্লী এলাকায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যেক্তা সৃষ্টি হবে। উদ্যোক্তা সৃষ্টির মাধ্যমে পল্লী এলাকায় একদিকে যেমন নতুন কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে অপরদিকে তেমনি গ্রামীন জনগোষ্ঠির শহরমুখিতা বহুলাংশে হ্রাস পাবে। ফলে গ্রামীণ অর্থনীতিতে প্রাণের সঞ্চার হবে বলে আশা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
[b]ঢাকা, ২৯ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) // এমআর[/b]
আর্থিক অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে এক ধাপ এগিয়েছে ব্যাংকিং খাত
আর্থিক অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত। বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর দোড়গোড়ায় তথ্য-প্রযুক্তি নির্ভর আধুনিক ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক দু’টি ব্যাংককে এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন দিয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ, ব্যাংকিং লেনদেনে কি প্রভাব পড়বে?
সাইবার হামলার ঝুঁকি মোকাবিলায় সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা থেকে ওয়েবসাইটটিতে প্রবেশ করা যাচ্ছে না। তবে ওয়েবসাইট বন্ধ থাকলেও দেশের ব্যাংকিং লেনদেন ও কোর ব্যাংকিং কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
জরুরি নিরাপত্তা ইস্যুতে বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট
জরুরি নিরাপত্তাসংক্রান্ত সমস্যার কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।
আগামীকাল থেকে টানা ৫ দিন বন্ধ ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠান
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা পাঁচ দিনের ছুটিতে থাকছে দেশের ব্যাংক ও শেয়ারবাজার। ছুটির আগে সোমবার শেষ কার্যদিবস আজ সোমবার (১৯ অক্টোবর)। এরপরে টানা পাঁচদিন ছুটি।
আজ খোলা থাকবে সব ব্যাংক
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত টানা তিন দিন দেশের সব তফসিলি ব্যাংক বন্ধ থাকবে। তবে এর আগে আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) ব্যাংকগুলো স্বাভাবিক সময়সূচি অনুযায়ী খোলা থাকবে। এছাড়া শেয়ারবাজার এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানও খোলা থাকবে।
দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকে টানা পাঁচ দিনের ছুটি থাকছে। আগামী ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত তিন দিন দুর্গাপূজার ছুটি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর পরের দুই দিন ২৩ ও ২৪ অক্টোবর যথাক্রমে শুক্র ও শনিবার হওয়ায় সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।
















