করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে আগামীকাল (১৪ এপ্রিল) বুধবার ভোর ৬টা থেকে ২১ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত ‘কঠোর লকডাউন’ ঘোষণা করেছে সরকার। এর মধ্যে যাত্রীবাহী ট্রেন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে চলবে কৃষিজাত পণ্যবাহী ও পার্সেল ট্রেন বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন।

মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর রেল ভবনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।

রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, সব ধরনের পণ্যবাহী ট্রেন চলাচলের পাশাপাশি কৃষিজাত পণ্য ও পার্সেল পরিবহনে চার জোড়া ট্রেন চলবে।

রেলমন্ত্রী বলেন, ঢাকা-সিলেট, সিলেট-ঢাকা, চট্টগ্রাম-সরিষাবাড়ী, সরিষাবাড়ী-চট্টগ্রাম, খুলনা-চিলহাটি, চিলহাটি-খুলনা, পঞ্চগড় (বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম)-ঢাকা, ঢাকা-পঞ্চগড় প্রতিদিন চলাচল করবে। আগামীকাল (বুধবার) থেকে এই ট্রেনগুলো চলাচল করবে। প্রাথমিকভাবে লকডাউনের জন্য এগুলো চালু করা হয়েছে, পরবর্তীতে প্রয়োজনের ভিত্তিতে এই ট্রেন চালু রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

নুরুল ইসলাম সুজন আরও বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-সরিষাবাড়ী ও চট্টগ্রাম-সিলেটের মধ্যে পরিবাহিত পার্সেল মালামাল ভৈরববাজার ও আখাউড়া স্টেশন লাগেজ ভ্যান সংযোজন-বিয়োজনের মাধ্যমে গন্তব্যে পাঠানো হবে। আর খুলনা-ঢাকা রুটের মালামাল পরিবাহিত লাগেজ ভ্যান ঈশ্বরদী স্টেশনে বিয়োজন হয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম-ঢাকা রুটে চলাচলকারী ট্রেনে সংযোজন-বিয়োজন করা হবে।

রুটভিত্তিক ভাড়ার বিষয়ে তিনি জানান, ঢাকা-সিলেট রুটের দূরত্ব ৩১৯ কিলোমিটারের জন্য কেজিপ্রতি ১ টাকা ১১ পয়সা, ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ৩৪৬ কিলোমিটারের জন্য কেজিপ্রতি ১ টাকা ১৭ পয়সা, চট্টগ্রাম-সরিষাবাড়ী ৪৬৯ কিলোমিটারের জন্য ১ টাকা ৩৫ পয়সা, চট্টগ্রাম-সিলেট রুটে ৩৯০ কিলোমিটারের জন্য ১ টাকা ৩০ পয়সা, খুলনা-চিলাহাটি রুটে ৪৯০ কিলোমিটারের জন্য ১ টাকা ৩৬ পয়সা, বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল-ঢাকা রুটে ৫৯৩ কিলোমিটারের জন্য ১ টাকা ৫৬ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এমবি