সপ্তাহ শেষে দেশের উভয় পুঁজিবাজারে ঘুরে দাঁড়াবার ইঙ্গিত লক্ষ করা গেছে। গেল সপ্তাহে দেশের উভয় বাজারে চাঙ্গাভাবে লেনদেন হয়েছে। দীর্ঘ সময় পর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সপ্তাহিক বাজার চিত্রে দেখা গেল সূচক ও লেনদেন একেই সাথে বেড়েছে। আগের চেয়ে গত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ৪১ শতাংশ বা ৭২৬ কোটি ৫২ লাখ টাকার। সব ধরণের মূল্য সূচকও বেড়েছে গত সপ্তাহে। ডিএসই প্রধান সূচক বা ডিএসইএক্স সূচক ১০৩ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ২৫ শতাংশ বেড়েছে।
তিন সপ্তাহের বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রথম সপ্তাহে অর্থাৎ ১১ এপ্রিলের বাজার চিত্রে দেখা যায়, লেনদেন বেড়েছিল ৩৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ। কিন্তু ডিএসই প্রধান বা এক্স সূচক কমেছিল দশমিক ৬২ শতাংশ বা ২৮ দশমিক ৪৯ পয়েন্ট। তবে ডিএসইএস এবং ডিএস৩০ সূচক সামান্য বেড়েছিল ওই সপ্তাহে। আর এর পরের সপ্তাহে অর্থাৎ ১৮ এপ্রিলের সপ্তাহে সব ধরণের মূল্য সূচক বাড়েছিল। ডিএসই প্রধান সূচক বা ডিএসইএক্স সূচক বেড়েছে দশমিক ১৩ শতাংশ বা ৬ দশমিক ১৯ পয়েন্ট। তবে ওই সপ্তাহে লেনদেন কমেছিল ৩১ দশমিক ৫৭ শতাংশ। আর গত সপ্তাহে একসাথে লেনদেন ও সব ধরণের সূচক বেড়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, পুরো সপ্তাহজুড়ে ১৩ কোম্পানির লভ্যাংশ ঘোষণা হয়েছে। এছাড়া কিছু সরকারী, ভালো মৌল ভিত্তি এবং বহুজাতিক কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে পুরো সপ্তাহে। এর প্রভাব পড়েছে পুরো বাজারের উপর। সেকারণেই একই সাথে লেনদেন ও সূচক বেড়েছে গত সপ্তাহে।
গত সপ্তাহের বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে দুই হাজার ৪৭২ কোটি ৫৮ লাখ ২৭ হাজার ২৪১ টাকার শেয়ার। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল এক হাজার ৭৪৬ কোটি ৫ লাখ ৩৮ হাজার ৪৫১ টাকার শেয়ার।
এর মধ্যে ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ার লেনদেন ছিল ৮৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ, ‘বি’ ক্যটাগরির লেনদেন ছিল ২ দশমিক ৬১ শতাংশ, ‘এন’ ক্যাটাগরির লেনদেন ছিল ৩ দশমিক ০৩ শতাংশ এবং ‘জেড’ ক্যাটাগরির লেনদেন ছিল ৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ।
ডিএসই প্রধান সূচক বা ডিএসইএক্স সূচক বেড়েছে ২ দশমিক ২৫ শতাংশ বা ১০৩ দশমিক ৫৩ পয়েন্ট। সপ্তাহের ব্যবধানে এই সূচক ৪ হাজার ৫৯৮ পয়েন্ট থেকে বেড়ে ৪ হাজার ৭০২ পয়েন্টে অবস্থান করে।
গত সপ্তাহে ডিএস৩০ সূচক বেড়েছে ১ শতাংশ বা ১৭ দশমিক ০৪ পয়েন্ট। সপ্তাহের প্রথম দিনে এই সূচকের অবস্থান ছিল ১ হাজার ৭০৩ পয়েন্টে। আর সপ্তাহের শেষ দিনে এই সূচক অবস্থান করে ১ হাজার ৭২০ পয়েন্টে।
অপরদিকে শরীয়াহ সূচক বেড়েছে দশমিক ৫১ শতাংশ বা ৫ দশমিক ৩১ পয়েন্ট। সপ্তাহের প্রথম দিনে এই সূচকের অবস্থান ছিল এক হাজার ৩৪ পয়েন্ট। আর সপ্তাহের শেষে এই সূচক দাঁড়ায় ১ হাজার ৪০পয়েন্টে।
গত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩০৪টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৯৮টির কমেছে ৯৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৭টির। আর লেনদেন হয়নি ২টি কোম্পানির।
[b]ঢাকা, ২৬ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম) // এমআর[/b]
অর্থনীতি
পুঁজিবাজার ঘুরে দাঁড়াবার ইঙ্গিত
সপ্তাহ শেষে দেশের উভয় পুঁজিবাজারে ঘুরে দাঁড়াবার ইঙ্গিত লক্ষ করা গেছে। গেল সপ্তাহে দেশের উভয় বাজারে চাঙ্গাভাবে লেনদেন হয়েছে। দীর্ঘ সময় পর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সপ্তাহিক বাজার চিত্রে দেখা গেল সূচক ও লেনদেন একেই সাথে বেড়েছে। আগের চেয়ে গত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ৪১ শতাংশ বা ৭২৬ কোটি ৫২ লাখ টাকার।





