অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, দেশে বিনিয়োগ বাড়লে কর্মসংস্থানও বাড়বে, আমাদের অর্থনীতি যে পর্যায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে, সেখানে বিনিয়োগে আকৃষ্ট করার জন্য যে স্থিতিশীলতা দরকার, তার কিছু উপাদান আমরা অর্জন করেছি মাত্র।
শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম আয়োজিত জব ক্রিয়েশন: দ্যা বিগেস্ট চ্যালেঞ্জ শীর্ষক বাজেট পূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, বাজার স্থিতিশীলতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ ব্যাপারে আমরা প্রত্যেক বারই সতর্ক থাকি। বিগত ৬-৭ বছরে কোন অস্থিতিশীলতা আমরা দেখিনি। এইবারও সেই উদ্যোগ থাকবে।
এ সময় সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের বাজেটের কারণে এ পর্যন্ত দেশে কোন রকম অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হয়নি এবং জঙ্গিবাদেরও কোন রকম প্রভাব বিস্তার করেনি।
পোশাক শিল্প যথেষ্ট পরিপক্কতা অর্জন করেছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, এখন তাদের সরকার এবং রাষ্ট্রকে কিছু দেয়ার পালা। পোশাক শিল্প দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সুষ্টি করছে। যার কারণে তাদেরকে আমরা এত আদর-সমাদর করি। তারা যখন কোন দাবি নিয়ে আসে, তাদেরকে যথেষ্ট দেয়ার চেষ্টা করি।
সামনে রমজান, বাজেট উপলক্ষে দ্রব্য মূল্য অস্থীতিশীল হতে পারে আশঙ্কা প্রকাশ করে কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের(ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান বলেন, নিত্য পণ্যে যেন কর আরোপ করা না হয়, সে জন্য আপনাদের সহযোগিতা চা্চ্ছি।
জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর পন্যের উপর কর আরোপ করার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, তামাকের মত ক্ষতিকর পণ্যের উপর কর আরোপ করা যেতে পারে। আর এর থেকে প্রাপ্ত অর্থ ডায়বেটিকসের মত রোগে ব্যবহার করা যেতে পারে।
আমেরিকান চেম্বার ইন বাংলাদেশের সভাপতি আফতাব উল ইসলাম বলেন, দেশে লোকাল বিনিয়োগ হচ্ছে না। আর লোকাল বিনিয়োগ না হলে বিদেশি বিনিয়োগ ও হবে না্। আর এটা শুধু বিদ্যুৎ, গ্যাসের অভাবের জন্য নয় । বরং এটা হচ্ছে বিনিয়োগ ফেরতের নিশ্চয়ত। এ জন্য সুন্দর পরিবেশ, অবিশ্বাস, এবং অনিশ্চয়তাও কাটাতে হবে।
আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন এনবিআররের চেয়ারম্যান নমীবুর রহমান, বিআইডিএস-এর রিসার্চ পরিচালক বিনায়েক সেন, এসিসিআই সভাপতি সৈয়দ নাসের মঞ্জুর প্রমূখ।
এমএ/ এআর





