গত ডিসেম্বর শেষে ইন্দোনেশিয়ায় দুই বছরের সর্বোচ্চ বাণিজ্য উদ্বৃত্ত হয়েছে। এ সময় ১৫২ কোটি ডলারের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত ছিল প্রত্যাশার চেয়েও বেশি। এর মাধ্যমে বোঝা যাচ্ছে, গত বছরের অর্থনৈতিক ঝক্কি সামলে আবারো পুনরুদ্ধারের পথে হাঁটতে শুরু করেছে দেশটি।
ইন্দোনেশিয়ার পরিসংখ্যান বিভাগের প্রধান সুরিয়ামিন জানান, বাণিজ্য উদ্বৃত্ত বাড়ার অন্যতম কারণ রফতানি বৃদ্ধি। এর মধ্যে রয়েছে গ্যাস ও ইলেকট্রনিকস পণ্যের রফতানি বেশি বেড়েছে।
এদিকে শুধু গত ডিসেম্বরেই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশটির রফতানি আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ১০ দশমিক ৩৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬৯৮ কোটি ডলারে। অন্যদিকে ২০১৩-এর পুরোটা জুড়ে দেশটির আমদানি ২ দশমিক ৬৪ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৬৬৩ কোটি ডলারে।
যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক তাদের প্রণোদনা কমিয়ে দেয়ার ঘোষণা দেয়ার পর উদীয়মান অন্যান্য দেশের মতো ইন্দোনেশিয়ায়ও এর প্রভাব পড়ে। বিনিয়োগকারীরা অর্থ তুলে নেয়ার কারণে বেশ বড় ধরনের সমস্যায় পড়ে ইন্দোনেশিয়ার অর্থনীতি। এর মধ্যে সবচেয়ে সমস্যায় পড়ে ইন্দোনেশিয়ার শেয়ারবাজার ও স্থানীয় মুদ্রা রুপিয়া।
প্রণোদনা কমিয়ে দেয়ার আশঙ্কায় রুপিয়ার দাম প্রায় ২০ শতাংশ কমে যায়। অন্যদিকে মুদ্রাকে শক্তিশালী করতে গত বছরের জুন থেকে নভেম্বরের মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের সুদের হার ১৭৫ বেসিস পয়েন্ট বৃদ্ধি করেছে। যদিও অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, বর্তমানে ইন্দোনেশিয়ান অর্থনীতি উত্তরণের পথেই রয়েছে। খবর এএফপি
[b]ঢাকা, ৪ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) // এসএমআর[/b]
অর্থনীতি
দুই বছরের সর্বোচ্চ বাণিজ্য উদ্বৃত্ত ইন্দোনেশিয়ায়
গত ডিসেম্বর শেষে ইন্দোনেশিয়ায় দুই বছরের সর্বোচ্চ বাণিজ্য উদ্বৃত্ত হয়েছে। এ সময় ১৫২ কোটি ডলারের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত ছিল প্রত্যাশার চেয়েও বেশি। এর মাধ্যমে বোঝা যাচ্ছে, গত বছরের অর্থনৈতিক ঝক্কি সামলে আবারো পুনরুদ্ধারের পথে হাঁটতে শুরু করেছে দেশটি।





