বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে চাইলে হংকংকে ইকনমিক জোন দেওয়ার কথা জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।
তিনি বলেন, একটি ইকনমিক জোনসহ তাদের চাহিদামত সবধরনের সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে। এতে শুধু বাংলাদেশ নয়, হংকংও লাভবান হবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ হংকং সফরকালে বৃহস্পতিবার সেদেশের বাণিজ্য ও ইকনমিক ডেভেলপমেন্ট বিষয়ক মন্ত্রী চু কাম লেয়ুঙ্গ গ্রেগরির সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এ সব কথা বলেন বলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ শাখা এ তথ্য জানায়।
হংকংকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে এখন বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশ বিরাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ১০০টি ইকনমিক জোন গড়ে তোলার কাজ শুরু করেছে।
তিনি বলেন, হংকং-এর সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। বাংলাদেশ বাণিজ্য বৃদ্ধি করতে আগ্রহী। এ জন্য উভয় দেশের আন্তরিক প্রচেষ্টা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
মন্ত্রী জানান, গত অর্থ বছরে বাংলাদেশ ২৪৭ দশমিক ১৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য হংকংয়ে রপ্তানি করেছে। একই সময়ে বাংলাদেশ আমদানি করেছে ৮৭৬ দশমিক ১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য। এ ক্ষেত্রে একদিকে যেমন রয়েছে বাণিজ্যিক ভারসাম্যহীনতা, অপরদিকে রয়েছে বাণিজ্যবৃদ্ধির অপার সম্ভাবনা।
তোফায়েল আহমেদ উভয় দেশের মধ্যে চলমান অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য হংকং-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। দু‘নেতা বৈঠকে উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।
বৈঠকে উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করা হয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর মহাপরিচালক ড. এ এফ এম মনজুর কাদির এবং হংকংয়ের পক্ষে হংকং ট্রেড ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিলের অ্যাসিস্ট্যান্ট এক্সিকিউটিভ ডিরেকটর সপিহা চঙ এতে স্বাক্ষর করেন।
এমআইএস





