প্রস্তাবিত ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেটকে গতানুগতিক বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি হোসেন খালেদ।
তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে নতুন কিছু নেই। তবে এতে বেশ কিছু শিল্পের কাঁচামাল শুল্ক কমানো ও ব্যক্তি খাতের আয়করের সীমা ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা করার মতো কিছু ইতিবাচক দিক রয়েছে।
জাতীয় সংসদে বৃহস্পতিবার বিকেলে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় হোসেন খালেদ এ সব কথা বলেন।
তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে ৪১ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব আহরণের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু তা কোথা থেকে আসবে সে বিষয়ে কোনো সুপারিশ নেই। এক্ষেত্রে ১০ লাখ ট্যাক্সপেয়ারের উপরই হয়রানি ও চাপ বাড়বে।
হোসেন খালেদ বলেন, বাজেটে ৭ দশমিক ১ শতাংশ জিডিপির যে লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বিনিয়োগ বাড়াতে না পারলে তা পূরণ হবে না। কারণ, টাকার অংকে বিনিয়োগ বাড়লেও বিগত ১০ বছরে এ হার ২৮ শতাংশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।
তিনি বলেন, ২০২১ সালে মধ্যম আয়ের দেশ করতে হলে বিনিয়োগের এ হার ৩৮ শতাংশে নিতে হবে। আর প্রস্তাবিত বাজেটে বিনিয়োগ বাড়ানোর সে ধরনের কোনো লক্ষণ দেখছি না।
ডিসিসিআই সভাপতি আরও বলেন, এই মুহূর্তে তারল্য ও ব্যাংক সুদের হার অনুকূলে থাকায় বিনিয়েগের সুবর্ণ সুযোগ বিরাজ করছে। কিন্তু গ্যাস ও বিদ্যুতের অভাবে সে সুযোগ হাতছাড়া হচ্ছে। যদিও সকরার বলছে, বিদ্যুত ও গ্যাসের উন্নতি হয়েছে। কিন্তু আমরা শিল্পপতিরা কাঙ্ক্ষিত গ্যাস ও বিদ্যুত না পেয়ে নতুন বিনিয়োগ করতে পারছি না।
হোসেন খালেদ বলেন, ব্যাংকে বিনিয়োগের জন্য টাকা চাইতে গেলে তারা বলেন, গ্যাস ও বিদ্যুতের সংযোগ আছে কি না? সংযোগ না থাকলে ঋণ পাবেন না। এর ফলে নতুন করে বিনিয়োগ হচ্ছে না। বাজেটে এ নিয়ে কোন নির্দেশনাও নেই।
এএইচ





