বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় শিল্পখাতগুলোর উন্নয়নে ডি-৮ টেকসই প্রকল্প গ্রহণে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু। তিনি বলেন, ডি-৮ সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অর্থায়নে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। এ লক্ষ্যে আসন্ন নভেম্বরে তেহরানে অনুষ্ঠেয় চতুর্থ ডি-৮ শিল্প সহায়তা বিষয়ক মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে বিস্তারিত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
বাংলাদেশ সফররত ডি-৮ এর মহাসচিব ড. সাঈদ আলী মোহাম্মদ মৌসাভি এর সাথে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে শিল্পমন্ত্রী এ কথা জানান। শিল্প মন্ত্রণালয়ে মঙ্গলবার এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব বেগম আফরোজা খানসহ শিল্প, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ডি-৮ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে উদীয়মান ৮টি মুসলিম দেশের অর্থনৈতিক সহায়তাজোট ডি-৮ এর পক্ষ থেকে সংস্থার মহাসচিব বাংলাদেশের শিল্পখাতের উন্নয়নে প্রকল্প গ্রহণের বিষয়টি তুলে ধরেন। এ সময় তিনি ডি-৮ সদস্য রাষ্ট্রগুলোর শিল্পখাতে কার্যকর সহায়তা ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি শিল্পখাতের দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সহায়তার ক্ষেত্র জোরদার করতে ডি-৮ ওয়ার্কিং গ্র“পের সংখ্যা কমিয়ে আনার তাগিদ দেন।
বৈঠকে ডি-৮ মহাসচিব ২০১২ সালের অক্টোবর মাসে ঢাকায় অনুষ্ঠিত তৃতীয় ডি-৮ শিল্প সহায়তা বিষয়ক মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন সফলভাবে আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এর ফলে সংস্থার সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক সহায়তার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচিত হয়েছে। এ সুযোগ কাজে লাগাতে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে আন্তঃবাণিজ্য ও রপ্তানি বাড়াতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
উল্লেখ্য, প্রায় এক বিলিয়ন জনসংখ্যা অধ্যুষিত ডি-৮ রাষ্ট্রগুলোতে অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য ও সহায়তা বৃদ্ধির চমৎকার সুযোগ রয়েছে। বর্তমানে বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাথে ডি-৮ সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বাণিজ্যের পরিমাণ ৫শ‘ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি।
তবে সংস্থার সদস্য দেশগুলোর মধ্যে আন্তঃবাণিজ্যের পরিমাণ এখনও ১শ’ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেনি। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ২০১৮ সালের মধ্যে ডি-৮ সদস্যগুলোর আন্তঃবাণিজ্য শতকরা ১৫ ভাগ বাড়ানো সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ঢাকা, ২৬ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএমআর





