বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানীর প্রধান গন্তব্যই হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য। বিদেশেী কর্মসংস্থানের ৭৫ শতাংশেরই ঠিকান হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের বুকে।এর বাইরে মালয়েশিয়াতে প্রায় আট লাখ ও সাড়ে ছয় লাখ লোক গেছেন সিঙ্গাপুরে।
বিএমইটির তথ্য বলছে , বাংলাদেশ থেকে ১৯৭৬ সালে ৬ হাজার ৮৭ জন কর্মী বিদেশে গিয়েছিলেন এবং তখন ৩৫ কোটি টাকা রেমিট্যান্স এসেছিল। প্রথমবারের মতো ২০০০ সালে প্রবাসী আয় ১০ হাজার কোটি টাকা ছাড়ায়। পরের ছয় বছরের প্রতিবছর প্রবাসী আয় আসছে এক থেকে দেড় হাজার কোটি ডলার।
প্রবাসী আয় এর বিশ্লেষণ দেখলে জানাযায়, ২০০৯-১০ থেকে ২০১৫-১৬ অর্থবছর পর্যন্ত সবচেয়ে প্রবাসী আয় বেশি এসেছে মধ্যপ্রাচ্য থেকেই।২০১৫-১৬ অর্থবছরে ১ হাজার ৪৩৯ কোটি মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স আসে। যার মধ্যে ২৯৫ কোটি ডলারই সৌদি আরব থেকে আসা প্রবাসী আয়। পরের দেশগুলো হলো সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, মালয়েশিয়া, কুয়েত, ওমান, যুক্তরাজ্য, বাহরাইন, কাতার ও সিঙ্গাপুর।
বিশ্বব্যাংকের হিসাবে, বাংলাদেশ পৃথিবীর সপ্তম সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের দেশ। প্রতিবেশী ভারত, চীন, মেক্সিকো, ফিলিপাইন, ফ্রান্স ও জার্মানি আছে তালিকায় বাংলাদেশের আগে অবস্থান করছে।
নাজিব





