মার্চ মাসের তুলনায় এপ্রিল মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি সামান্য কমেছে। পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে মাত্র দশমিক ০২ শতাংশ কমে এপ্রিল মাসে তা হয়েছে ৭ দশমিক ৪৬ শতাংশ। যা মার্চ মাসে এর হার ছিল ৭ দশমিক ৪৮ শতাংশ। তবে সব ক্ষেত্রে মূল্যস্ফীতি কমলেও শহরের ক্ষেত্রে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়েছে।
বুধবার রাজধানীর আগারগাঁও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো’র (বিবিএস) এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়। এতে বক্তব্য রাখেন পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক গোলাম মোস্তফা
গোলাম মোস্তফা কামাল বলেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং মাঠ পর্যায়ে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার কারণে মূল্যস্ফীতি কমেছে। বাজারে নিয়মিত মালামাল পাওয়া যাচ্ছে। চাহিদা এবং সরবরাহের সামঞ্জস্যতা রয়েছে। এসব কারণে এপ্রিল মাসে মূল্যস্ফীতি কমেছে।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তরা বলেন, চাল, ডাল, আটা, শাকসবজি, ফল, মসলা, তেল, দুধ ও তামাক জাতীয় দ্রবাদ্রির দাম বেড়েছে। এ কারণে মার্চ মাসের তুলনায় এপ্রিল মাসে খাদ্য সামগ্রী উপখাতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে শতকরা দশমিক ০২ ভাগ। যা মার্চ মাসে ছিল শতকরা দশমিক ১৩ ভাগ।
তবে পরিধেয় বস্ত্রাদি, বাড়ী ভাড়া, আসবাবপত্র ও গৃহস্থালী সরঞ্জাম, চিকিৎসাসেবা, পরিবহন, শিক্ষা উপকরণ এবং বিবিধ দ্রব্য ও সেবাসহ বিভিন্ন খাতের মূল্য বৃদ্ধির কারণে খাদ্য বহির্ভুত উপখাতে মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়েছে। এপ্রিল মাসে এ খাতে বেড়ে দাঁড়িয়েছে দশমিক ০৮ ভাগ। যা মার্চ মাসে ছিল দশমিক ১৭ ভাগ।
বিবিএসের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ১৯ শতাংশে। যা তার আগের মাসে ছিল ৭ দশমিক ২১ শতাংশ। খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৫২ শতাংশে। যা তার আগে মাসে ছিল ৮ দশমিক ৫৩ শতাংশ। খাদ্য বহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ৮১ শতাংশে। যা তার আগে মাসে ছিল ৪ দশমিক ৮৩ শতাংশ।
শহরের সার্বিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৯৬ শতাংশে। যা তার আগে মাসে ছিল ৭ দশমিক ৯৮ শতাংশ। খাদ্য পণ্যের মূল্যেস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৯৯ শতাংশে। যা তার আগের মাসে ছিল ৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ। খাদ্য বহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৮৩ শতাংশে। যা তার আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, খাদ্য ও খাদ্য বহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি সামান্য কমেছে। খাদ্য পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৯৫ শতাংশ। যা মার্চ মাসে ছিল ৮ দশমিক ৯৬ শতাংশ। আর খাদ্য বহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ২৩ শতাংশ। যা মার্চ মাসে ছিল ৫ দশমিক ২৬ শতাংশ।
এতে আরো বলা হয়েছে, চাল, ডাল, আটা, শাকসবজি,ফল,মসলা, তেল, দুধ ও তামাক জাতীয় দ্রবাদ্রির দাম বেড়েছে। এ কারণে মার্চ মাসের তুলনায় এপ্রিল মাসে খাদ্য সামগ্রী উপখাতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে শতকরা দশমিক ০২ ভাগ। যা মার্চ মাসে ছিল শতকরা দশমিক ১৩ ভাগ।
তবে পরিধেয় বস্ত্রাদি, বাড়ী ভাড়া, আসবাবপত্র ও গৃহস্থালী, চিকিৎসাসেবা, পরিবহন, শিক্ষা উপকরণ এবং বিবিধ দ্রব্য ও সেবাসহ বিভিন্ন খাতের মূল্য বৃদ্ধির কারণে খাদ্য বহির্ভুত উপখাতে মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়েছে । এপ্রিল মাসে এ খাতে বেড়ে দাঁড়িয়েছে দশমিক ০৮ ভাগ। যা মার্চ মাসে ছিল দশমিক ১৭ ভাগ।
[b]ঢাকা, ৭ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) // এমআর[/b]
অর্থনীতি
এপ্রিলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি সামান্য কমেছে
মার্চ মাসের তুলনায় এপ্রিল মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি সামান্য কমেছে। পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে মাত্র দশমিক ০২ শতাংশ কমে এপ্রিল মাসে তা হয়েছে ৭ দশমিক ৪৬ শতাংশ। যা মার্চ মাসে এর হার ছিল ৭ দশমিক ৪৮ শতাংশ।





