সার্ভারের ত্রুটির কারণে ৪ দিন ধরে বন্ধ আছে সোনালী ব্যাংকের অনলাইন শাখার লেনদেন কর্যক্রম। এসব শাখার কারণে বিঘ্ন ঘটেছে অন্য শাখার লেনদেনেও।
জানা গেছে, কোর ব্যাংকিং সলিউশন বা সিবিএস নামের সফটওয়্যারের আওতায় রয়েছে সোনালী ব্যাংকের ৫০২টি শাখা। গুরুত্ব বিবেচনায় ব্যাংকের মোট লেনদেনের উল্লেখযোগ্য অংশ এসব শাখার মাধ্যমে হয়ে থাকে।
রাজধানী ঢাকা ও বন্দরনগরী চট্টগ্রামের একাধিক শাখায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সার্ভারে ত্রুটির কারণে অনলাইন শাখাগুলো গত চারদিনে অর্থ জমা, উত্তোলন, এলসি খোলা, এলসির মূল্য পরিশোধের মতো কোনো সেবাই দিতে পারেনি।
এসব শাখার বাইরের ৭০২টি শাখা থেকে অর্থ জমা ও উত্তোলন করা গেলেও টাকা স্থানান্তর করা সম্ভব হয়নি। কারণ ‘এনি ব্রাঞ্চ ব্যাংকিং’ বা এবিবি নামের সফটওয়্যারের মাধ্যমে সব শাখার অর্থ স্থানান্তর কার্যক্রম পরিচালিত হয়, যা সিবিএস সফটওয়্যারে যুক্ত।
গতকাল মঙ্গলবার সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রদীপ কুমার দত্ত বলেন, ‘সার্ভারে ত্রুটির কারণে সিবিএসের আওতায় থাকা শাখাগুলোর লেনদেনে সমস্যা দেখা দিয়েছে।
এ সমস্যা সমাধানে সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে। তবে ত্রুটি চিহ্নিত করতে না পারায় সমস্যা সমাধানে কিছুটা সময় লাগছে। ত্রুটি চিহ্নিত করতে ব্যাংকের আইটি বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি বাইরে থেকে বিশেষজ্ঞ আনা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে তারা ধারণা করছেন, সিবিএসের ‘অ্যাপ্লিকেশন’ সার্ভারে ধীর গতির কারণে এমনটি হচ্ছে।
উল্লেখ্য,গত শনিবার থেকে সার্ভারের ত্রুটি দেখা দিয়েছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও ওইদিন বন্দর এলাকা ও ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী অনেক শাখা খোলা থাকায় বিষয়টি সেদিনই প্রধান কার্যালয়ের নজরে আনে বিভিন্ন শাখা।
পরদিন রোববারও একই সমস্যা দেখা দেয়ার পর সমস্যা সমাধানে তত্পর হয় ব্যাংক। পোলারিশ ফিন্যান্সিয়াল টেকনোলজি লিমিটেড নামে ভারতীয় একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যাংকটির সিবিএস সফটওয়্যার স্থাপিত হয়েছে।
এআই





