মাঝে মধ্যে স্থির থাকলেও নিয়মিত বিরতির পর ঠিকই বাড়ছে পেঁয়াজ-রসুনের দাম।
পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা বলেছেন, গত তিন মাস ধরে প্রায় প্রতি সপ্তাহে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম বেড়েই চলছে। তবে দাম এই দাম বৃদ্ধির পেছনে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ তারা জানাতে পারছেন না।
বিক্রেতারা বলছেন, গত মাসে নতুন রসুন (দেশী) বাজারে আসায় এক সপ্তাহ দাম স্থির ছিল। বাজারে দেশি রসুনের চাহিদা থাকায় দাম বাড়ার একটি কারণ মনে করছেন তারা।
এদিকে, আমদানি রসুনের দাম বেশি হওয়ায় কিছুটা চাহিদা বেড়েছে দেশি রসুনের। যে কারণে এ সপ্তাহে ১০ টাকা বেশি দামে ১৪০ টাকা প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে। আর আমদানি রসুন প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে বাজার ভেদে ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা।
এদিকে নতুন দেশি পেঁয়াজ বাজারে আসার পরও বেশি দামে কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের। তবে অন্যসব পণ্যের দাম গত সপ্তাহের কাছাকাছি রয়েছে।
শুক্রবার (০৪ মার্চ) রাজধানীর বিভিন্ন পাইকারি ও খুচরা বাজার ঘুরে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া যায়।
তবে ক্রেতাদের অভিযোগ হলো, রসুন বিক্রেতারাই পেঁয়াজ বিক্রি করেন বিধায় পণ্য দুটোর দাম বাড়ছে। এদিকে রামপুরা বাজারে ক্রেতা রেজাউল করিম বলেআমদানি পণ্যে সরকারের সামান্য কর বৃদ্ধির অজুহাত দেখিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা উৎসবে মেতেছেন। এটি দাম বৃদ্ধির সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ হতে পারেনা বলে মনে করেন এ ব্যাংকার।
এদিকে গত সপ্তাহের তুলনায় ৫ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। বাজারভেদে দেশি পেঁয়াজ ৩৫ থেকে ৪০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। আর আমদানি পেঁয়াজ ২৫ থেকে ৩০ টাকায়।
এদিকে অপরিবর্তিত দামেই বিক্রি হচ্ছে আলু। প্রতিকেজি আলু এ সপ্তাহে বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকা।
গত সপ্তাহের বাড়তি দামেই এ সপ্তাহে বিক্রি হচ্ছে ফার্মের মুরগি। ব্রয়লার প্রতিকেজি ১৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অপরিবর্তিত দামে প্রতিকেজি লেয়ার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়।
এছাড়াও গরু ও খাঁসির মাংস আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। প্রতিকেজি গরুর মাংস ৩৮০ টাকা এবং খাসির মাংস ৫৬০ থেকে ৫৮০ টাকা।
বাজার ও ডিমের আকার ভেদে রাজধানীর বাজারে অপরিবর্তিত দামে ফার্মের মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে প্রতি হালি ৩৪ থেকে ৩৬ টাকায়। দেশি মুরগির ডিম হালি ৪৫ টাকা। হাঁসের ডিমের হালি ৪৬ টাকা।
দুই সপ্তাহ ধরে ডিমের দাম স্থির থাকলেও আগামী সপ্তাহ থেকে দাম বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন বিক্রেতারা।
এমআইএস।





